সাধারণ নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে বরিশাল অঞ্চল জুড়ে বিদ্যুৎ সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। গত সপ্তাহধিকালের চাহিদার ৩৫ভাগ বিদ্যুৎ ঘাটতি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ৬০ ভাগে উন্নীত হয়েছে। এমনকি ইতোপূর্বে সান্ধ্যপীক আওয়ারের বিদ্যুৎ ঘাটতি বৃহস্পতিবার শেষরাত থেকে শুরু করে দিনভরই অব্যাহত থাকার পরে সূর্যাস্তের সাথে সম্প্রতিককালের ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।
পিডিবি, ওজোপাডিকো এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর একাধিক সূত্রের মতে, সান্ধ্যপীক আওয়ারে বরিশাল অঞ্চলে প্রায় ৭শ মোগায়াট চাহিদার বিপরিতে গত সপ্তাহাধিককাল ধরে সাড়ে ৪শ থেকে ৫শ মেগাওয়াটের মত সরবারহ থাকলেও বৃহস্পতিবার দিনভরই সরবারহ ছিল চাহিদার ৪৫ ভাগের মত ।
কিন্তু সান্ধ্য পীক আওয়ারে তা ৪০ ভাগে হ্রাস করা হয়েছে। একাধিক সূত্রের মতে, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬৬০ মোওয়টের ১টি ইউনিট ছাড়াও পাশ্ববর্তি ‘আরএনসিএল’র সাড়ে ৬শ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিটই কয়লার অভাবে এখন বন্ধ। ফলে এ অঞ্চল থেকে জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুতের যোগান হ্রাসের সাথে সেখান থেকেও বরিশাল অঞ্চলে চাহিদা মাফিক বিদ্যুৎ দেয়া হচ্ছে না।
ফলে সম্প্রতিককালের নজিরবিহীন এ বিদ্যুৎ সংকটে বরিশাল সহ সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলের সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যেমনি বর্ণনার বাইরে, তেমনি শিল্প উৎপাদনেও ধ্বস নামছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতিও ভয়াবহ খারাপ। দিন-রাত লোডসেডিং’এ জনজীবন ক্রমশ দূর্বিসহ হয়ে ওঠার পাশাপাশি ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনেও বিরূপ প্রভাব পড়ার আশংকা বাড়ছে।
