More

    বিকাশ-নগদে ক্যাশ আউট বন্ধ, দোকানে দোকানে লম্বা লাইন, টাকা তুলতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

    অবশ্যই পরুন

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) খাতে কড়াকড়ি আরোপের ফলে সাধারণ মানুষ পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বিকাশ, নগদ ও রকেটের মতো জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট বন্ধ থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিকাশ দোকানগুলোতে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ লাইন।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর হওয়া এই নির্দেশনায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে সব ধরনের ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে টাকা তুলতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, রোগীর স্বজন ও সাধারণ গ্রাহকরা।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের বিভিন্ন বিকাশ ও নগদ এজেন্ট পয়েন্টে সকাল থেকেই ভিড় জমাচ্ছেন গ্রাহকরা। অনেকেই নির্দেশনার বিষয়টি না জেনেই দোকানে এসে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। কেউ কেউ ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও প্রয়োজনীয় নগদ টাকা তুলতে পারছেন না। একজন রিকশাচালক বলেন, “সারাদিন রিকশা চালিয়ে বিকাশে টাকা নিয়েছি।

    এখন ভাড়া দিতে হবে, বাজার করতে হবে—কিন্তু টাকা তুলতে পারছি না। কী করব বুঝতে পারছি না।” একই অভিযোগ এক গৃহিণীর, “হঠাৎ করে টাকা দরকার ছিল। দোকানে এসে দেখি ক্যাশ আউট বন্ধ। এত বড় ভোগান্তি হবে জানলে আগেই ব্যবস্থা নিতাম।” বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্বাচনের সময় অর্থের অবৈধ ব্যবহার, ভোট কেনাবেচা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে অর্থের জোগান বন্ধ করতেই এই সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। নির্দেশনায় সেন্ড মানি সুবিধাও সীমিত করা হয়েছে।

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা এবং দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পাঠানো যাবে। তবে মোবাইল রিচার্জ, বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানির বিল, মার্চেন্ট পেমেন্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন ও সরকারি ফি পরিশোধ স্বাভাবিক থাকলেও নগদ টাকার প্রয়োজনীয়তায় সাধারণ মানুষ পড়েছেন বড় বিপাকে।

    এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, এটি সম্পূর্ণ সরকারি নির্দেশনার অংশ এবং নির্ধারিত সময় শেষে সব সেবা আবার স্বাভাবিক হবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য তারা গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে। এদিকে সাধারণ মানুষের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিকল্প ব্যবস্থা বা পর্যাপ্ত প্রচার না থাকায় ভোগান্তি আরও বেড়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Be involved in some lighter moments challenges and you can objectives in return for advantages

    If this is a gaming webpages for your https://hrvatska-lutrija-hu.com/ requirements, strike the on the-page banners and get been now....