More

    পবিত্র রমজান মাসের আগেই সয়াবিনের মূল্য বৃদ্ধির পাঁয়তারা

    অবশ্যই পরুন

    পবিত্র রমজান মাস অতি সন্নিকটে। রমজান মাসে অতি চাহিদাপূর্ণ সয়াবিন তেল নিয়ে কারসাজি শুরু করেছে অতিমুনাফা লোভী ব্যবসায়ীরা। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে সয়াবিনের দাম প্রতি মণে প্রায় ২০০ টাকা বেড়েছে। সামনে আরো বৃদ্ধির পাওয়ার আশঙ্কা করছেন পাইকারি বিক্রেতারা। পাইকারি বিক্রেতাদের অভিযোগ মিল থেকে সয়াবিনের সরবরাহ কমে গেছে। অনেক বিক্রেতার কাছে সয়াবিন নেই। রমজানের আগে আরো বৃদ্ধি পাবে।

    চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র জানায়, গত নভেম্বর মাসে সয়াবিন আমদানি হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৮৭ মেট্রিক টন, ডিসেম্বর মাসে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৫২০ মেট্রিক টন ও জানুয়ারিতে ৩ লাখ ৩১ হাজার ১০৩ মেট্রিক টন। গতকাল পাইকারি বাজারে খোলা সয়াবিন প্রতি মণ দাম বেড়ে ৭ হাজার ৫০ টাকা ও পামঅয়েল প্রতি মণ ৫ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাইকারি বাজারে চিনি ও ছোলাসহ অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। নতুন করে বাড়েনি।

    কিন্তু সয়াবিন তেল নিয়ে বাজার অস্থির হয়ে উঠছে। খাতুনগঞ্জে সোনা মিয়া মার্কেট সয়াবিন ও পামঅয়েলের প্রধান পাইকারি বাজার। এখানে শতাধিক পাইকারি তেল ব্যবসায়ী রয়েছে। রয়েছে কয়েক শত ব্রোকার। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতায় সরব থাকে। সয়াবিনের পাইকারি বিক্রেতার মোহাম্মদ ইলািছ বলেন, ‘বাজারে সয়াবিনের সরবরাহ কমে গেছে। বলতে গেলে বাজারে মাল নেই।

    এখন আমরা আগের কেনা তেল বিক্রি করছে। মিল থেকে মাল মিলছে না। বাজারে মেঘনা ও টিকে এই দুই গ্রুপের সয়াবিন রয়েছে। অন্য কোনো কোম্পানির সয়াবিন বাজারে সরবরাহ নেই। নতুন করে সয়াবিন করলে প্রতি মণ সাড়ে ৭ হাজার দরে কিনতে হবে।’ ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক আবুল বশর চৌধুরী বলেন আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিনের দাম বেড়ে গেছে।

    আর আমদানিকারকরা বুকিং কমিয়ে দিয়েছে। রমজানের আগে দাম আরো বাড়বে কিনা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ঘাটতি হলে দাম বাড়বে। সয়াবিন ও পামঅয়েল নিয়ে ডিও ও স্লিপ নিয়ে বাজারে অস্থিরতা চলে। ডিও ব্যবসায়ীরা মিল থেকে নির্ধারিত সময়ে মাল ডেলিভারি করে না। ডিওর একাধিকবার হাতবদল হয়ে থাকে। এতে তেলের দাম বেড়ে যায়।

    ডিওর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে স্লিপ বেচাকেনা। পাইকারি বাজারে ব্রোকার বা মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য পাইকারি বাজার অস্থির করে ত তোলে। স্লিপও হাতবদল করে বেচাকেনা হয়ে থাকে। ফলে ডিও ও স্লিপ বেচাকেনা পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কৌশল হয়ে উঠেছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হলে ডিও ও স্লিপ বেচাকেনার অনৈতিক প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে। খাতুনগঞ্জের গুটিকয়েক ডিও ব্যবসায়ী এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন দিন যাবত্ জড়িত রয়েছে। বিক্রেতারা জানান স্লিপ ব্যবসা হলো একজন ক্রেতা ১০/১৫ দিনে তেল বা চিনি কিছু অগ্রিম টাকা দিয়ে কিনে নেওয়া হয়।

    বাকি টাকা ডেলিভারির সময় পরিশোধ করবেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে হাতবদলের কারণে স্লিপের মেয়াদ বেড়ে যাচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে স্লিপ হাতবদলের কারণে দাম বেড়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে সরকারিভাবে একসময় ডিওর মেয়াদ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল।

    ডিওর মেয়াদ থাকবে ১৫ দিন। এর মধ্যে পণ্য ডেলিভারি নিতে হবে। কিন্তু এই নিয়ম মানা হচ্ছে না। একটি ডিও ছয়/সাত মাস পর্যন্ত ব্যবহার হচ্ছে। ডিওর মালিক পণ্য ডেলিভারি না এনে মজুত করে রাখছে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Be involved in some lighter moments challenges and you can objectives in return for advantages

    If this is a gaming webpages for your https://hrvatska-lutrija-hu.com/ requirements, strike the on the-page banners and get been now....