More

    বরিশালের ৫ এমপি মন্ত্রিসভায়, উন্নয়নের নতুন আশায় বিভাগ বাসী

    অবশ্যই পরুন

    বরিশাল বিভাগ থেকে পাঁচজন সংসদ সদস্য এবার স্থান পেয়েছেন জাতীয় মন্ত্রিসভায়। তাদের মধ্যে দু’জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং তিনজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। নতুন এ অন্তর্ভুক্তিকে ঘিরে বরিশালে বইছে আশাবাদের হাওয়া। উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আসবে— এমন প্রত্যাশা করছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরাও।

    মঙ্গলবার (১৭, ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রী পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়া ৫ জনের মধ্যে রয়েছেন দু’জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং তিনজন প্রতিমন্ত্রী। যেখানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ- বীর বিক্রম।

    এছাড়া বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মো. রাজিব আহসানকে রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আহম্মদ সোহেল মনজুরকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বরিশাল উত্তর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু বলেন, এটা নিঃসন্দেহে আনন্দের খবর।

    এই জনপদের দিকে প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের নেতা তারেক রহমানের সুদৃষ্টি আছে বলেই বিচ্ছিন্ন এই জনপদ থেকে তিনি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী মনোনীত করেছেন। আমরা আশা করছি বরিশাল আর অবহেলিত থাকবে না। টিআইবি’র সচেতন নাগরিক কমিটি বরিশাল জেলার সদস্য কবি হেনরী স্বপন বলেন, ‘বরিশাল থেকে এবার যাঁরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের মধ্যে অনেকেই মন্ত্রিত্ব পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন। তার মধ্যে থেকে পাঁচজনকে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হয়েছে।

    যদিও বরিশালবাসীর প্রত্যাশা আরও বেশি ছিল। বরিশাল নগরী ও আশপাশের এলাকায় কথা বলে জানা গেছে, তরুণ প্রজন্ম কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নের ওপর জোর দিচ্ছেন। কৃষকরা চান ন্যায্যমূল্য ও সংরক্ষণ সুবিধা। ব্যবসায়ীরা প্রত্যাশা করছেন যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি ও নতুন বিনিয়োগ।

    বিশ্লেষকদের মতে, কোনো বিভাগ থেকে একাধিক মন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের প্রশাসনিক সমন্বয় বাড়ে এবং উন্নয়ন প্রকল্পে অগ্রাধিকার পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে শুধু প্রতিনিধিত্ব নয়, কার্যকর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নই শেষ পর্যন্ত উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    দরিদ্র বাড়িয়ে বিদায় দারিদ্র্যের জাদুকরের

    শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটি বিখ্যাত দর্শন হচ্ছে ‘দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানো’। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নিয়ে...