More

    গলাচিপায় নবম শ্রেণির ছাত্রী তৃষা দেবনাথকে অপহরণের অভিযোগ: মামলা দায়ের

    অবশ্যই পরুন

    গলাচিপা (পটুয়াথালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় তৃষা দেবনাথ নামের এক হিন্দু স্কুলছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তৃষাকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার ইফতি হাওলাদার (২২) এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তৃষার বাবা শিপলু চন্দ্র দেবনাথ বাদী হয়ে ইফতি হাওলাদারকে প্রধান আসামি করে চারজনের নাম উল্লেখসহ আরও তিনজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে গলাচিপা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

    মামলাটি ৮ মার্চ রোববার এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। তবে অপহরণের ঘটনার পর এখন পর্যন্ত তৃষাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গলাচিপা থানার এসআই সুমন চন্দ্র মজুমদার। মামলার অভিযোগে বলা হয়, গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পাড় ডাকুয়া গ্রামের বাসিন্দা শিপলু চন্দ্র দেবনাথের মেয়ে তৃষা দেবনাথ স্থানীয় পাড় ডাকুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই এলাকার ফারুক হাওলাদারের ছেলে ইফতি হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে তৃষাকে পথে-ঘাটে একা পেলে উত্যক্ত করে আসছিল এবং বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রস্তাব দিত।

    তৃষা তাতে রাজি না হওয়ায় ইফতি তাকে অপহরণের পরিকল্পনা করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ঘটনার দিন ৭ মার্চ শনিবার সন্ধ্যায় তৃষা পাশের এক বান্ধবীর বাড়িতে যাওয়ার সময় পাকা রাস্তার ওপর পৌঁছালে ইফতি ও তার সহযোগীরা মিলে জোরপূর্বক তৃষার মুখ চেপে ধরে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর তৃষার বাবা শিপলু চন্দ্র দেবনাথ অভিযুক্ত ইফতির বাবা ফারুক হাওলাদারের কাছে মেয়েকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।

    এ সময় ফারুক হাওলাদার তৃষাকে ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কালক্ষেপণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে বাধ্য হয়ে শিপলু চন্দ্র দেবনাথ গলাচিপা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে ইফতি হাওলাদারকে। অন্যান্য আসামিরা হলেন—ফারুক হাওলাদার (৫৪), মামুন হাওলাদার (২৬), জয় দেবনাথ (১৯) এবং অজ্ঞাত আরও তিনজন। অপহৃত তৃষার বাবা শিপলু চন্দ্র দেবনাথ বলেন, “আমার মেয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ে।

    ইফতি জোরপূর্বক আমার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। আমি আমার মেয়েকে দ্রুত ফিরে পেতে চাই।” এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইফতির বাবা ফারুক হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

    তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুমন চন্দ্র মজুমদার বলেন, “মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার পর থেকেই আমরা তৃষাকে উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সংস্থার কাছেও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।”

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    কলাপাড়ায় ইয়াবা সেবনের অপরাধে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার এক মাসের কারাদণ্ড

    কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুরাদ হোসেন কে (৩৬) ইয়াবা সেবনের...