More

    ফ্যামিলি কার্ড পেল পাহাড়ের ‘সবচেয়ে দরিদ্র’ গ্রামের ১ হাজার ৯৭ পরিবার

    অবশ্যই পরুন

    পার্বত্য চট্টগ্রামের ‘সবচেয়ে দরিদ্র’ গ্রামের ১ হাজার ৯৭ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ সেবা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৮৮৬টি পরিবারকে কার্ডের আওতায় ভাতা দেওয়া হয়েছে।

    হিসাব–সংক্রান্ত সমস্যার কারণে বাকি ২১১ পরিবারকে পরবর্তী ধাপে ভাতা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, তিন পার্বত্য জেলার ১২১টি ইউনিয়ন ও ৭টি পৌরসভার ১ হাজার ১৫২টি ওয়ার্ড রয়েছে। এর মধ্যে লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডটিকে সবচেয়ে দরিদ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দারিদ্র্যের মাত্রা নিরূপণে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতির জরিপ চালিয়ে ওয়ার্ডটিকে চিহ্নিত করা হয়।

    ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বান্দরবান আসনের সংসদ সদস্য সাচিংপ্রু জেরী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবদুর রহমান ও জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিল্টন মুহুরী।

    অনুষ্ঠানে দীপেন দেওয়ান বলেন, সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা মানুষকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় সবার আগে এগিয়ে নেওয়াই সরকারের লক্ষ্য। এ কারণেই পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলোকে ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিল্টন মুহুরী বলেন, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে জরিপে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার উপযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    এর মধ্যে ৮৮৬টি পরিবারকে কার্ডের পাশাপাশি ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়েছে। হিসাব নম্বরের ত্রুটি ও সরকারি দ্বৈত সুবিধার বিষয়টি নিষ্পত্তি হলে বাকি ২১১ পরিবারও ভাতা পাবে।ফ্যামিলি কার্ড পেল পাহাড়ের ‘সবচেয়ে দরিদ্র’ গ্রামের ১ হাজার ৯৭ পরিবার পার্বত্য চট্টগ্রামের ‘সবচেয়ে দরিদ্র’ গ্রামের ১ হাজার ৯৭ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ সেবা দেওয়া হয়।

    এর মধ্যে ৮৮৬টি পরিবারকে কার্ডের আওতায় ভাতা দেওয়া হয়েছে। হিসাব–সংক্রান্ত সমস্যার কারণে বাকি ২১১ পরিবারকে পরবর্তী ধাপে ভাতা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, তিন পার্বত্য জেলার ১২১টি ইউনিয়ন ও ৭টি পৌরসভার ১ হাজার ১৫২টি ওয়ার্ড রয়েছে। এর মধ্যে লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডটিকে সবচেয়ে দরিদ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দারিদ্র্যের মাত্রা নিরূপণে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতির জরিপ চালিয়ে ওয়ার্ডটিকে চিহ্নিত করা হয়। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি।

    এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বান্দরবান আসনের সংসদ সদস্য সাচিংপ্রু জেরী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবদুর রহমান ও জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিল্টন মুহুরী। অনুষ্ঠানে দীপেন দেওয়ান বলেন, সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা মানুষকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় সবার আগে এগিয়ে নেওয়াই সরকারের লক্ষ্য।

    এ কারণেই পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলোকে ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিল্টন মুহুরী বলেন, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে জরিপে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার উপযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    এর মধ্যে ৮৮৬টি পরিবারকে কার্ডের পাশাপাশি ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়েছে। হিসাব নম্বরের ত্রুটি ও সরকারি দ্বৈত সুবিধার বিষয়টি নিষ্পত্তি হলে বাকি ২১১ পরিবারও ভাতা পাবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    When they do not, predict verification factors after you just be sure to cash-out

    Trying outsmart the device which have numerous membership? But don't ignore the KYC (Know The Customer) step, or distributions...