More

    যুদ্ধে বাড়ছে মার্কিন ক্ষয়ক্ষতি

    অবশ্যই পরুন

    ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধে শত শত কোটি ডলার ক্ষতির মুখে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির ইতিহাসে একরকম অন্যতম ব্যয়বহুল অভিযানই হতে যাচ্ছে এটি। এরইমধ্যে, বেশকিছু যুদ্ধবিমান-ড্রোন হারানোর পাশাপাশি হামলার শিকার একাধিক মার্কিন রাডার। রণক্ষেত্রেই এখন পর্যন্ত ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার। গত ডিসেম্বর থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত তাদের অপারেশন এপিক ফিউরিকে কেন্দ্র করে মোট ব্যয় আনুমানিক ২৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

    মূলত, ইরান যুদ্ধ শুরুর একদিন পর কুয়েতের আকাশে ভূপাতিত হয় তিনটি মার্কিন এফ ফিফটিন-ই স্ট্রাইক ঈগল। পেন্টাগন দাবি করে, কুয়েতের প্রতিরক্ষাবাহিনী ভুল করে ঘটিয়েছে এ ঘটনা। তবে কারণ যেটাই হোক এতে ক্ষতির শিকার যুক্তরাষ্ট্র।

    কুয়েতে তিনটি যুদ্ধবিমান হারানোর পর ইরাকের আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষে ধ্বংস হয় যুক্তরাষ্ট্রের দু’টি কেসি ওয়ান থ্রি ফাইভ রিফুয়েলিং বিমান। সৌদি আরবে ইরানের মিসাইল-ড্রোনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একই মডেলের আরও পাঁচটি আকাশযান। আইআরজিসির হামলার শিকার হয়েছে একটি এফ থার্টিফাইভ যুদ্ধবিমানও। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক এমকে-নাইন রিপার ড্রোনও হারিয়েছে দেশটি।

    এদিকে, কৌশলী ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দূর্বল করতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রাডার সিস্টেমে। কাতার ও জর্ডানে দু’টি রাডার ধ্বংসও করেছে তারা। বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর ফিফথ ফ্লিট সদর দপ্তরে হামলায় দুটি স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন টার্মিনাল এবং বেশ কয়েকটি বড় ভবন ধ্বংস হয়েছে।

    অগ্নিকাণ্ডের জেরে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড। যেটিকে বর্তমানে গ্রিসে নোঙ্গর করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, মার্চের প্রথম তিন সপ্তাহে রণক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    এত গেলো কেবল রণক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব। অপারেশন এপিক ফিউরির জন্য গত ডিসেম্বর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের হামলা ঠেকাতে ব্যয় করেছে বিপুল সংখ্যক ইন্টারসেপ্টর। ইরানে ৯ হাজারের বেশি স্থাপনাতে হামলা চালাতে কাড়ি কাড়ি অর্থ খরচ হয়েছে তাদের। যুদ্ধকালীন বিশেষ ভাতাসহ অন্যান্য ব্যয় হিসাব করলে যুদ্ধের ১৯ মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের আনুমানিক খরচ ২৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

    প্রসঙ্গত, সেনাদের মূল বেতন, প্রশিক্ষণ ব্যয়, সামরিক সরঞ্জামের ক্রয়মূল্যসহ অন্যান্য নিয়মিত ব্যয় এই হিসাবে রাখা হয়নি। বলা হচ্ছে, স্বল্পমেয়াদী যুদ্ধের হিসাবে এটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম ব্যয়বহুল অভিযান। যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে দেশটির অর্থনীতিতে চাপ বাড়বে বলে মত বিশ্লেষকদের।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Be involved in some lighter moments challenges and you can objectives in return for advantages

    If this is a gaming webpages for your https://hrvatska-lutrija-hu.com/ requirements, strike the on the-page banners and get been now....