More

    স্পিকারের নাম ভাঙিয়ে পিআইও অফিস থেকে বরাদ্দ তালিকা নিয়ে গেলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি

    অবশ্যই পরুন

    পরাণ আহসান : ভোলার লালমোহন উপজেলায় জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্যের নাম ভাঙিয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে টিআর (Test Relief) ও কাবিখা কর্মসূচির বরাদ্দ তালিকা জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবালের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে।

    মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সরেজমিনে পিআইও কার্যালয়ে গিয়ে এ অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। কার্যালয়ে উপস্থিত কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ঘটনাটি তাদের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। তাঁদের দাবি, সরকারি নথি এভাবে নিয়ে যাওয়া নিয়মবহির্ভূত এবং এতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পলাশ সমদ্দার জানান, পবিত্র মাহে রমজানের শেষদিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের নাম উল্লেখ করে পিআইও কার্যালয়ে আসেন।

    তিনি জোরপূর্বক ভাবে চলমান টিআর ও কাবিখা প্রকল্পের বরাদ্দ তালিকা তাকে দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তালিকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে স্পিকারের এপিএস ফোনে আমাকে নির্দেশ দেন তালিকা তাকে দেয়ার জন্য। স্পিকারের এপিএসের নির্দেশে সরকারি বরাদ্দের তালিকা অন্য একজনকে দেয়া কোন এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কোন সুধুত্তর উত্তর দিতে পারেন নাই এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত জাফর ইকবালের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে তালিকা চাইতেই পারি।”

    তবে অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি তিনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মো. সিফাত বিন সাদেক বলেন এ প্রতিবেদককে জানান বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না অফিসে গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে তারপর জানাতে পারব।

    উল্লেখ্য, টিআর ও কাবিখা কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালিত হয়। এসব প্রকল্পের বরাদ্দ ও তালিকা সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সংরক্ষণ ও বিতরণ করা হয়। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তালিকা নেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের অতিদ্রুত ঘটনাটি খতিয়ে দেখে কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জেলার বিশিষ্টজনদের।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Stake European vs American Roulette

    SommaireLes Règles Fondamentales et la Différence Cruciale du ZéroAnalyse de l'Avantage de la Maison (RTP)Stratégies de Paris et Gestion...