More

    বাকেরগঞ্জের কলসকাঠীতে ​সরকারি ছুটির দিনে নিমাই কীর্তনীয়ার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণ নাকি পাচার!

    অবশ্যই পরুন

    বরিশাল সংবাদ দাতা ​:  বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নে সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে ছুটির দিনে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন খাদ্যবান্ধব ডিলার স্থানীয় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নিমাই কীর্তনীয়া। ১৭ এপ্রিল শুক্রবার সরকারি বন্ধের দিন নিয়মবহির্ভূতভাবে তার এই চাল বিতরণকে স্থানীয়রা ‘চুরি’ বা ‘পাচারের অপচেষ্টা’ হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন মাপে কম দিয়ে গরিবদের চাল আত্মসাতের উদ্দেশ্যে বন্ধের দিনে তার এ চাল বিতরণ। ​

    সাধারণত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণের জন্য নির্দিষ্ট দিন ও সময় নির্ধারিত থাকে এবং তা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তার (ট্যাগ অফিসার) উপস্থিতিতে সম্পন্ন করার কথা। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, কলসকাঠী ইউনিয়নের মুদিঘাট স্পটের ডিলার নিমাই কীর্তনীয়া দলীয় প্রভাব খাঁটিয়ে সরকারি ছুটির দিনকে বেছে নিয়েছেন চাল বিতরণের জন্য। ছুটির দিনে লোকচক্ষুর অন্তরালে চাল সরিয়ে ফেলার বা পছন্দের লোকজনকে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

    ​নিয়ম অনুযায়ী চাল বিতরণের সময় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক হলেও শুক্রবার বিতরণের সময় কোনো সরকারি তদারকি ছিল না। অনেক প্রকৃত সুবিধাভোগী চাল না পেলেও, নেপথ্যে চাল কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে এমন সময় বেছে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ​ ​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গ্রাহক জানান, “সরকারি বন্ধের দিন যখন সব অফিস-আদালত বন্ধ, তখন কেন গোপনে চাল বিতরণ করতে হবে?

    এটি স্পষ্টতই গ্রাহকদের ওজনে কম দিয়ে চাল চুরির একটি কৌশল। ডিলার নিমাই কীর্তনীয়া বিএনপির রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এ অনিয়ম করছেন। গ্রাহক শেফালী বেগম বলেন, তাদের কাছ থেকে কার্ড প্রতি ৩০ কেজি চাল বিতরণের জন্য ৪৫০ টাকা গ্রহণ করলেও মাত্র ২৪-২৫ কেজি করে চাল দিয়েছে। শুক্রবার বন্ধের দিন চাল বিতরণ করায় এমনটা সম্ভব হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

    তদারকি কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) হাফিজুর রহমান জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ডিলার নিমাই কীর্তনীয়া তাকে না জানিয়েই বন্ধের দিনে চাল বিতরণ করেছে। সাংবাদিকদের মাধ্যমে তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।

    ​এ বিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা রুবিনা পারভিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সরকারি ছুটির দিনে চাল বিতরণের কোনো সুযোগ নেই। যদি এমনটা হয়ে থাকে, তবে বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Un logiciel casino quelque peu acces embryon telecharge il existe l’App Abri (iOS) , ! Internet Play (Android)

    Avec un programme salle de jeu legerement brique incontestable, la assurance informatique orient habituellement premi lequel avec navigant,...