More

    বাকেরগঞ্জে ওএমএসের চাল ওজনে  কম দেওয়ায় ডিলারের বিরুদ্ধে ইউএনওর কাছে অভিযোগ

    অবশ্যই পরুন

    বাকেরগঞ্জে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ন্যায্য মূল্যের চাল ওজনে কম পাওয়ায় নয়জন ব্যক্তি ডিলারের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
    ২৭ এপ্রিল সোমবার  দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ভুক্তভোগীরা উপস্থিত হয়ে এই লিখিত অভিযোগ করেন।
    অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ডধারী ৫৫৮ জন। এসব কার্ডধারীরা ১৫ টাকা কেজি দরের ৩০ কেজি করে চাল পান। সরকার নির্ধারিত সিলমোহরযুক্ত বস্তা ব্যতীত বালতি দিয়ে তিন বালতি করে সুবিধাভোগীদের চাল বিতরণ করেন দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসারের সামনে ডিলার রোকনুজ্জামান। চাল নেওয়ার পরে বিষয়টি কার্ডধারীদের সন্দেহ হলে পাশের একটি দোকানের ওজন করে তারা মাপে গরমিল দেখতে পান।
    এসময় কার্ডধারীরা স্থানীয় সংবাদকর্মীদের খবর দিলে তারা সরজমিনে এসে চাল মেপে দেখে ২৭-২৮ কেজি চাল। তাত্ক্ষণিক বিষয়টি ডিলার ও ট্যাগ অফিসারের দায়িত্বে বাকেরগঞ্জ উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা (ফরেস্ট) অফিসার মনিন্দ্র হালদারকে জানান সংবাদকর্মীরা । ডিলার রোকনুজ্জামান ও তার দলবল নিয়ে কার্ডধারী এবং ওই সংবাদকর্মীদের হুমকি ধামকি দিয়ে চলে যেতে বলেন।
    বন -কর্মকর্তা (ফরেস্ট) মনিন্দ্র হালদার দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসার চাল বিতরণে অনিয়মের বিষয় তিনি কথা বলতে রাজি নয়।
    অভিযোগকারীদের একজন রেহেনা বেগম বলেন, ১৫  টাকা কেজি দরে চাল বিক্রেতা ডিলার রোকনুজ্জামান ডিলার নেয়ার পর থেকে তিনি চাল দুই থেকে তিন কেজি কম দেয় । এর প্রতিবাদ করলে তিনি খারাপ ব্যবহার করে থাকেন । কেবল নয়জন নয় , আরও অনেকেই চাল পাননি। কিন্তু ভয়ে তাঁরা ডিলার রোকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেননি।
    অভিযোগকারীদের আরেকজন কার্ডধারী দাওকাঠী গ্রামের বাসিন্দা হারুন তালুকদার বলেন, ‘আমাদের ৩০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা। বালতি দিয়ে মেপে দেওয়ার পরই আমার সন্দেহ হয়। এরপরে মেপে দেখি আমার বস্তায় ২৭ কেজি চাল। আমরা ভয়ে প্রতিবাদ করি না কম দিলে তা নিয়েই চলে যেতাম। দিন যতই যাচ্ছে ততই ডিলারের চুরি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
    ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুরজাহান বেগম বলেন, আমার স্বামী একজন প্রতিবন্ধী আমরা গরীব মানুষ যখন চাল নিয়েছি তখনই সন্দেহ হয়। মেপে দেখি আমার বস্তায় ২৭ কেজি চাল আছে। কিন্তু দেওয়ার কথা ৩০ কেজি। এরপর বিষয়টি স্থানীয় কয়েকজনের সাথে জানালে তারা ইউএনও, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানাতে বলেন। তাই আমরা কয়েকজন মিলে ইউএনও অফিসে অভিযোগ দিয়েছি।
    অভিযোগের বিষয়ে ডিলার রোকনুজ্জামানের কাছে জানতে চেয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
    এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা রুবিনা পারভিন বলেন, রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের শ্যামপুরের খাদ্যবান্ধব ডিলারের বিরুদ্ধে এপ্রিলর মাসের চাল বিতরণের সময় পরিমাপে কম দেয়ার  অভিযোগ পেয়েছি।  বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    ইউএনও’র দায়িত্বে থাকা   সহকারী কমিশনার (ভূমি) তন্ময় হালদার বলেন,খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ন্যায্য মূল্যে চাল বিক্রিতে অনিয়মের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।
    তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    I’ve previously mentioned you to debit notes are an individual favourite

    When to try out at the online casinos, you happen to be presented with multiple alternatives which could hunt...