More

    আগৈলঝাড়ায় গাছে গাছে আম ও লিচুর মুকুলের সমারোহ

    অবশ্যই পরুন

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় গত কয়েক বছরের চেয়ে এবার গাছে গাছে আম ও লিচুর মুকুলে ছেয়ে গেছে। মৌসুমের শুরুতেই আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ছোট বড় সব গাছে এবার রেকর্ড পরিমান মুকুল দেখা দিয়েছে।

    এবার মাস দুয়েক আবহাওয়া ভাল থাকলে এই মৌসুমী ফলের উৎপাদন লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে দ্বিগুন হবে বলে উপজেলার চাষী হাবুল সরদার জানিয়েছেন। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চাষীরা এখন প্রধান দিয়ে ঔষধ প্রোয়গ করে মুকুল আটকানোর চেষ্টা করছেন। উপজেলা সদরসহ ৫টি ইউনিয়নের অনেক জায়গায় এখন বানিজ্যিক ভাবে আম, লিচু ও কাঠালের চাষ করা হচ্ছে। আগের তুলনায় এলাকায় বেড়েছে বাগান ও ফলের চাষ।

    এলাকায় বাগানের পাশাপাশি সরকারী অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ফাঁকা জায়গায় সারি সারি করে বিভিন্ন প্রকার ফলজ গাছ রোপন করা হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দোলন চন্দ্র রায় জানান, গত এক সপ্তাহের বৈরি
    আবহাওয়াতে আমের মুকুলের পরাগায়ন বিঘ্ন, ছত্রাকজনিত রোগের আক্রমন, পোকার আক্রমনে মুকুলে এ্যানথ্রাকনোজ রোগ দেখা দিতে পারে। এ থেকে পরিত্রান পেতে আম চাষীদের হপার পোকার জন্য তরল কীটনাশক, এ্যানথ্রাকনোজ রোগের জন্য ছত্রাক নাশক ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।

    আম গাছে মুকুল হলেই যে বেশি আম ধরবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন বা কুয়াশাচ্ছন্ন থাকলে বা তাপমাত্রা কমে গেলে মুকুল নষ্ট হয়ে যায়।

    তিনি আরও জানান, ৯৯ ভাগ মুকুল থেকে কোন গুটি হয়না। আবার বিভিন্ন কারনে গুটিও ঝরে পরে। মাটিতে প্রয়োজনীয় রস না থাকলে গুটি ঝরে পড়ে বেশি। তাছাড়া নিয়ম ভঙ্গ করে গ্রাম গ্রামে ইট ভাটা স্থাপিত হওয়ায় এর ছাই প্রতি বছর আমের

    মুকুলের ক্ষতি করছে। যদিও এবার প্রচুর মুকুল এসেছে, তবে ফলন নির্ভর করবে পরবর্তী আবহাওয়ার উপর। কৃষিবিদরা জানান, যে বছর আমের ফলন বেশি হবে সে বছর গাছের কার্বন ও নাইট্রোজেনের তারতম্য ঘটে। ফলে পরের বছর আমের ফলন কমে যায়।

     বরিশাল নিউজ/স্ব/খ 

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    জেলায় আবারও সেরা গলাচিপা নুতন জামে মসজিদ সংলগ্ন আলিম মাদ্রাসা

    গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালী জেলায় দাখিল ও ইবতেদায়ী বৃত্তি পরীক্ষায় ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখে আবারও জেলায় শীর্ষস্থান অর্জন...