More

    ‎চরফ্যাশনে নারীর জীবন ঝুঁকিতে, মামলা দায়ের ‎

    অবশ্যই পরুন

    চরফ্যাশন প্রতিবেদক:  ‎ভোলার চরফ্যাশনে ৪০ বছর বয়সী এক নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে আমিন মিয়া নামে এক কৃষকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ‎ ‎ভুক্তভোগী নারী থানায় অভিযোগ দিলেও পুলিশ মামলা না নেওয়ায় ১০ সেপ্টেম্বর ভোলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেছেন। ‎

    ‎অভিযুক্ত আমিন মিয়া চরফ্যাশন উপজেলার কলমী ইউনিয়ন ৮ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ মঙ্গল গ্রামের বাসিন্দা সেরাজল হকের ছেলে। ‎ ‎মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ৫ সেপ্টেম্বর রাত ১১ টার দিকে ওই নারীর বসতঘরের পেছনের দরজা দিয়ে অভিযুক্ত আমিন মিয়া ঘরে প্রবেশ করে তাকে শারীরিক নির্যাতন এবং জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। তখন নারীর ডাক চিতকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসায় অভিযুক্ত আমিন মিয়া পালিয়ে যায়।

    আহত নারী চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে তিনদিন চিকিৎসা নিয়েছেন। ‎ ‎শনিবার দুপুরে ভুক্তভোগী নারী অভিযোগে জানান, ঘটনার পর শশীভূষণ থানায় অভিযোগ সাপেক্ষে মামলা দিতে গিয়েও পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি। পরে আমি ভোলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করি। মামলা দায়ের করার পর অভিযুক্ত আমিন মিয়া ও তার সহযোগীরা আমাকে ভয়ে দেখাচ্ছেন। আমি বর্তমানে নিরাপত্তা হীনতায় রয়েছি। ‎

    ‎স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, আমিন মিয়া এলাকায় ভয়ংকর ও দুষ্কৃতিকারী হিসেবে পরিচিত। তার কারণে নারীরা সাধারণভাবে ঘরের বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছেন। এলাকার লোকজন দ্রুত তার বিচারের দাবি জানিয়েছেন। ‎ ‎অভিযুক্ত আমিন মিয়ার বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করা হলেও রিসিভ করেননি।

    তবে তার স্ত্রী বেগম বলেন, আমার স্বামী বাড়িতে নাই। ঘটনাটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। ‎ ‎এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, ভুক্তভোগী নারী আমাদের কাছে লিখিত নয় মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি থানায় আর আসেননি। যেহেতু তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। আদালতের নির্দেশ এলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেব। ‎ ‎

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Mit ausländischen Online Casinos in der Schweiz echtes Geld setzen – ein Blick auf die praktische Handhabung

    Die Nutzung von ausländischen Online Casinos in der Schweiz bringt praktische Herausforderungen mit sich, besonders beim Setzen von echtem Geld, wobei Fragen zur Handhabung und Sicherheit eine wichtige Rolle spielen.