পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর এক নেতাসহ দুজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ঘটনায় এক যুবককে জনতা আটক করে ডিবি পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার পাড়েরহাট রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের সামনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: মোস্তফা তালুকদার, সিনিয়র শিক্ষক উত্তম সাহা ও রাশিদা খানম প্রমুখ।
এ সময় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা বলেন, ঘটনার কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও জড়িতদের পুরোপুরি শনাক্ত করা হয়নি। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা। এদিকে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাড়েরহাটের সাইফুল ইসলামের ছেলে তাকরিম (২৪)কে স্থানীয় জনতা হামলার সাথে সজড়িত থাকার সন্দেহে ‘মল্লিক বাড়ি’ এলাকায় মোটরসাইকেলসহ আটক করেন।
পরে তাঁকে ডিবি পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন দেয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার দিকে পাড়েরহাট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় পিরোজপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পাড়েরহাট রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মহিউদ্দিন মল্লিক নাসির (নাসির মল্লিক) এবং তাঁর ভাইপো রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপুর ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়।
এতে দুজনই শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নাসির মল্লিকের অবস্থার অবনতি হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়।
