More

    পিরোজপুর-১ আসনে বড় ব্যবধানে জয় পেলেন মাসুদ সাঈদী

    অবশ্যই পরুন

     ইন্দুরকানী ( পিরোজপুর) প্রতিবেদক: পিরোজপুর-১ (সদর-নাজিরপুর-ইন্দুরকানি) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ সাঈদী বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। পিরোজপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ স্বাক্ষরীত এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এ আসনে তার শক্ত প্রতিদ্বন্দী ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদ সাঈদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

    তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আলমগীর হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ১০৫ ভোট। এ আসনটিতে নারী ও বয়স্ক ভোটারদের উপস্থিতিতে বেড়ে যায় জামায়াত প্রার্থীর ভোটের পাল্লা। বিশেষ করে নিজ উপজেলা ইন্দুরকানিতে বাজিমাত দেখিয়েছেন মাসুদ সাঈদী। এই উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ২৯ টি কেন্দ্রে ৬৩ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয়েছে। বিএনপি প্রার্থীর চেয়ে এখানে ২০ হাজার ৯৪৮ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।

    নিজ উপজেলায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় মাসুদ সাঈদীর জয়ের পথ আরো সুগম হয়ে যায়। এ উপজেলাটি ভোটের সমীকরনে বিএনপি জামায়াতের সমানে সমান ঘাটি হলেও এ নির্বাচনে তারা রিজার্ভ ভোট থেকে পিছিয়ে পড়েন। ধানের শীষের প্রার্থী এখানে মাত্র ১২ হাজার ৬৪৫ ভোট পেয়েছেন। তবে মাসুদ সাঈদীর পিতা সাবেক এমপি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ব্যক্তি ইমেজকে কাজে লাগিয়ে নিজ উপজেলায় ভোটের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে গেছেন তিনি এমনটাই মনে করেন অনেকে।

    এদিকে বিএনপির প্রার্থী আলমগীর হোসেনের নিজ এলাকায় পিরোজপুর সদর উপজেলা থেকেও মাসুদ সাঈদী তের হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল। নিজ এলাকা থেকে আশানুরুপ ভোট না পাওয়ায় পাল্টে যায় ধানের শীষের প্রার্থীর ভোটের হিসেব নিকেষ। সংসদীয় আসনটির হিন্দু অধ্যুষিত অপর উপজেলা নাজিরপুরে বিএনপি প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পান ৫৪ হাজার ১৫৪ ভোট এবং এখানে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ভোট পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৬৪১ ভোট। এ উপজেলাটি থেকে ৮ হাজার ৫১৩ ভোটে এগিয়ে ছিলেন অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। তবে তিন উপজেলা মিলিয়ে তার ভোটের ব্যবধান বেড়ে যায় ২৫ হাজার ৫৫৪ ।

    নির্বাচনে দুটি দলের কর্মী সমর্থকরাই নিজ নিজ প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ভোটের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত আটঘাট বেঁধে মাঠে ছিল। এই আসনটিতে ১৬৮টি কেন্দ্রে সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। উল্লেখ্য, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে পরপর দুটি সংসদ নির্বাচনে এই আসনটিতে জামায়াত থেকে মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মাসুদ সাঈদীর পিতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী।

    বড় ব্যবধানে পিতার সেই আসনেই জামায়াতের প্রার্থী হয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় পেলেন মাসুদ সাঈদী।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    In unseren Ubersichten findest du diese besten Provider uff Feld

    Schnell hinten liegt Wunderino via noch mehr wanneer a single.one hundred beliebten oder lokalen Durchgang, zwischen Megaways & Spielautomaten...