বাকেরগঞ্জের পান্ডব নদীর তীর সংলগ্ন মাটি অবৈধভাবে কেটে ইটভাটায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্যফ্রন্টের সভাপতি নামে।
জানা যায়, উপজেলার কলস কাঠি ইউনিয়নের বাগদিয়া ঢাপড় কাঠি, সাদীশ আমতলী এলাকা সংলগ্ন পান্ডব নদীর তীরের মাটি কেটে বিক্রি করছে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য ফ্রন্টের বাকেরগঞ্জ উপজেলা সভাপতি নিমাই কীর্তনীয়া।
দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধভাবে মাটি কাটার এই মহোৎসব কার্যক্রম চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না থাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চক্রটি। এ ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
ভেকু মেশিনের মাধ্যমে নদীর তীর ও খাসজমি থেকে মাটি কেটে পল্টনে করে বিভিন্ন ইট ভাটায় নিয়ে বিক্রি করছে এই চক্র। মাটি কেটে নেওয়ায় নদীপারে তৈরি হয়েছে গভীর ক্ষত।
সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে কলসকাঠি ইউনিয়নের পূর্ব বাগদিয়া গ্রামের টাটা ব্রিকস নামে একটি ইটভাটার মাটি সরবরাহ করে আসছে এই চক্রটি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিবছর এই এলাকা থেকে মাটি কেটে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি করা হয়। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয় না। বর্ষা মৌসুম এলেই এখানকার নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা আতংকে থাকে। কারন যদি পার ভেঙে ঘর বাড়িনদীতে চলে যায়।
শুধু নদীর তীর নয়, এদের হাত থেকে ফসলি মাঠের পাশের খাসজমিও রেহাই পাচ্ছে না। এতে জমির স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষি ও পরিবেশে। মাটি কাটা বন্ধ না করলে বর্ষায় বড় বিপদ হবে।
নদীর তীর এভাবে কেটে নেওয়া হলে বর্ষায় বড় ধরনের নদীভাঙন দেখা দেবে। বসতভিটা ও কৃষিজমি ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।
অথচ প্রকাশ্যে মাটি কাটলেও কেউ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। খাসজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি সরিয়ে নেওয়ায় আশপাশের ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
মাটি কাটার ভেকু চালক জানান , ঢাকা থেকে ভেকু পল্টন এনেছেন স্থানীয় বাগদিয়া গ্রামের নিমাই কীর্তনীয়া নামের এক ব্যক্তি।
