More

    পটুয়াখালীর দুমকীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভাঙচুর অগ্নিসংযোগর এর অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে

    অবশ্যই পরুন

    ওবায়দুর রহমান অভি, পটুয়াখালী প্রতিনিধি : দুমকীর শ্রীরামপুর ইউনিয়নের চরবয়রায় হনুফা নুরআলী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে ঘর নির্মাণ ও বিদ্যালয়ের যাবতীয় আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং পুড়িয়ে ধ্বংস করার অভিযোগ করেছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম।

    বিদ্যালয়টির মাঠ অবৈধ দখল করে চারপাশে চট দিয়ে বেড়া দেওয়াযরও অভিযোগ করেন তিনি। শনিবার সকাল ১০টায় দুমকী প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিদ্যালয়ে সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮ নংওয়ার্ড চরবয়ড়া গ্রামে কোন প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় ২০০৬ ইং সালে হনুফা নুরআলী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।

    প্রতিষ্ঠার পর ২০শতাংশ জমি ক্রয় করে এমপি ৯৩২/১১ এর আদেশ ও স্থানীয় সালিশ গনের রোয়েদাদ নামার মাধ্যমে মীমাংসিত জমিতে স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্কুল ঘড় নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘ ১৩ বছর যাবৎ চলমান স্কুলে স্হানীয় মুসা হাওলাদার,রাকিবুল ইসলাম,নিজাম উদ্দিন,আ:কুদ্দুস,মো: সিদ্দিকও মো: শাহিন হাওলাদার গত১৭ই জুন/২৫ইং তারিখ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাত ২ঘটিকায় স্কুল মাঠের কাঁটাতারের পিলার উপড়ে ফেলে চটের বস্তা ও টিন দিয়ে সমস্ত স্কুল ঘর ও খেলার মাঠ অবরুদ্ধ করে ঘর উঠিয়ে মুসা মঞ্জিল নামে একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে স্কুল মাঠটি দখল করে নেয়।

    এবং স্কুলের চেয়ার, টেবিল, ব্ল্যাকবোর্ড, বেঞ্চ, বৈদ্যুতিক সিলিং ফ্যান, স্টিলের আলমারি ভাঙচুর লুটপাট শেষে স্কুল গৃহে আগুন লাগিয়ে দেয়। আলমারিতে রক্ষিত স্কুলের কাগজপত্রাদি রক্ষিত পুরাতন পরীক্ষার পেপার ও রেজিস্টার খাতা শিক্ষা সামগ্রী পুড়িয়ে ফেলে এবং স্কুলের অধিকাংশ টিনের চাল উপড়ে ফেলে। বর্তমানে স্কুল মাঠে চট ও টিনের বেড়া দেওয়ায় ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা স্কুলে প্রবেশ করতে না পারায় বন্ধ হয়ে যায় শিক্ষার কার্যক্রম। এ বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করা হয়।

    তিনি আরো বলেন স্কুল ঘড় ও খেলার মাঠ অবৈধ দখলদারের কাছ থেকে উদ্ধার করে পূর্বের ন্যায় শিক্ষার কার্যক্রম চালু করা যায় তার জন্য প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন করছি। এ বিষয়ে প্রধান অভিযুক্ত মুসা হাওলাদার বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে অবৈধ দখলের অভিযোগ সঠিক নয়,আমরা ওয়ারিশ সূত্রে জমির মালিক। বরং তারা ক্রয়ের অতিরিক্ত জমি বিদ্যালয়ের নামে দখল করে রেখেছে ।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    সময় পেরোলেও অটুট বন্ধন—কুয়াকাটায় গলাচিপার এসএসসি ২০০০ ও এইচএসসি ২০০২ ব্যাচের মিলনমেলা

    গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি: “আমরা আমাদের, আমরা বন্ধুত্বের”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার এসএসসি ২০০০ ও এইচএসসি ২০০২ ব্যাচের...