More

    বাংলাদেশ না গেলে ভারতের কত লোকসান হতে পারে

    অবশ্যই পরুন

    ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারত ও শ্রীলংকায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) টুর্নামেন্টে অংশ নিতে ভারতে দল পাঠাবে না জানিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলে (আইসিসি) চিঠি দিয়েছে। এ বিষয়ে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা সময়ই বলে দিবে। বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তের খবরে কংগ্রেস নেতা শশী থারুর বলেছেন, ‘আমরা এই লজ্জা নিজেদের ওপর নিজেরাই ডেকে এনেছি।’

    উগ্রবাদীদের হুমকির মুখে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, আইসিসিকে লেখা চিঠিতেই সেটিই জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বাংলাদেশ নিরাপত্তাশঙ্কায় না খেললে আয়োজক হিসেবে ভারতের মর্যাদায় তো আঘাত আসেই, আর্থিক ক্ষতিও আছে।

    গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল কলকাতার ইডেন গার্ডেনে (প্রতিপক্ষ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি ও ইংল্যান্ড)। আর শেষ ম্যাচটি ছিল মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নেপালের বিপক্ষে। ইডেনে ৬৩ হাজার আর ওয়াংখেড়েতে ৩৩ হাজার দর্শক বসে খেলা দেখতে পারেন। অর্থাৎ চারটি ম্যাচ মিলিয়ে প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার টিকিটের একটা বিশাল বাজার আছে এখানে। টিকিটের দাম কেমন এরই মধ্যে বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে আইসিসি। টিকিট বিক্রির ওয়েসবাইটে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ–ইতালি ম্যাচের টিকিটের সর্বনিম্ন দাম ১০০ রুপি, বাংলাদেশ–ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশ–ইংল্যান্ড ম্যাচের টিকিট সর্বনিম্ন দাম ৩০০ রুপি এবং বাংলাদেশ–নেপাল টিকিট সর্বনিম্ন ২৫০ রুপি।

    এই ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরে গেলে আয় কমবে বিসিসিআইয়ের। এখন এই টিকিট বিক্রির টাকা কি সরাসরি বিসিসিআই পাবে? না, আইসিসির সঙ্গে ভারতের টিকিট–সংক্রান্ত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, টিকিটের মালিকানা আইসিসি বিজনেস করপোরেশনের (আইবিসি)। এখানে বিসিসিআইয়ের ভূমিকা শুধুই আয়োজকের। গেট মানি বা টিকিট বিক্রির পুরো টাকা বিসিসিআই পাবে না। বিসিসিআই মূলত ম্যাচের দিনের উদ্বৃত্ত আয়, স্থানীয় স্পনসরশিপ এবং হসপিটালিটি বক্স থেকে আয় করে থাকে। হিন্দুস্থান টাইমসের প্রতিবেদনে বিসিসিআইয়ের লোকসানের সম্ভাব্য তিনটি উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। ধরা যাক, বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর সেই জায়গায় অন্য কোনো ম্যাচ দেওয়া হয়নি। এ ক্ষেত্রে বিসিসিআইয়ের লোকসানের পরিমাণ হতে পারে ৭ থেকে ৩০ কোটি রুপি (৬০-৯০% দর্শক উপস্থিতি এবং টিকিটের গড় মূল্য ৫০০-১৫০০ রুপি ধরে)।

    আবার ধরা যাক, বাংলাদেশের ম্যাচ সরিয়ে নেওয়া হলো ঠিকই, কিন্তু সেই জায়গায় অন্য কোনো দলের ম্যাচ আয়োজন করা হলো। তখন লোকসান অনেক কমে আসবে। তবে বাংলাদেশের বদলে যদি ইতালি বনাম নামিবিয়ার মতো ম্যাচ হয়, তবে দর্শক চাহিদা তো আর এক থাকবে না! আবার ইংল্যান্ড বনাম অন্য কোনো দলের হাই ভোল্টেজ ম্যাচের টিকিটের চাহিদা তো সব সময়ই বেশি থাকে। সে ক্ষেত্রে লোকসানের বদলে লাভই হতে পারে। আবার বাংলাদেশের চারটা ম্যাচই শ্রীলংকায় সরিয়ে নিয়ে শ্রীলংকায় হতে যাওয়া অন্য চারটি ম্যাচ ভারতে নিয়ে আসা হলে হয়তো তেমন কোনো আর্থিক ক্ষতিই হবে না।

    তখন কেবল লজিস্টিক বা নতুন করে পরিকল্পনা করার কিছুটা ধকল পোহাতে হবে। এ ক্ষেত্রে হয়তো পাকিস্তান ও শ্রীলংকার ম্যাচগুলো বাদ দিয়ে অন্য দলগুলোর ম্যাচ সরানোর কথাই ভাবতে হবে আইসিসিকে। কারণ, এই দুটি দেশ শ্রীলংকার বাইরে খেলবে না।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Be involved in some lighter moments challenges and you can objectives in return for advantages

    If this is a gaming webpages for your https://hrvatska-lutrija-hu.com/ requirements, strike the on the-page banners and get been now....