More

    বাকেরগঞ্জে মাধ্যমিকের ৭ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী দিয়ে ইবতেদীয়ার ৫ম শ্রেনীর বৃত্তি পরীক্ষা 

    অবশ্যই পরুন

    বাকেরগঞ্জে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া শিক্ষার্থী দিয়ে মাদ্রাসার( ইবতেদীয়া ৫ ম শ্রেনীর) বৃত্তি পরীক্ষা অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে দুইটা ইবতেদায়ী মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
    ২০২৫ শিক্ষা বর্ষে  বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ২ টি ভেন্যুতে মাধ্যমিক স্কুলের অষ্টম শ্রেণির জেএসসি ও মাদ্রাসা পর্যায়ের জেডিসি ও ইবতেদীয়া ৫ ম শ্রেনীর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বাকেরগঞ্জ সরকারী বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল অষ্টম শ্রেণী ও ইবতেদীয়া শাখার ৫ ম শ্রেনীর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পৌরসভার  জেএসইউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মাধ্যমিক পর্যায়ের অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
    পরীক্ষার শেষ  দিনে গনমাধ্যম সুত্রে সরকারি বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে হঠাৎ পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচরে আসে এমন চাঞ্চল্যকর বিষয়টি।
    অনুসন্ধানে দেখা যায় উপজেলার বিলকিস জাহান টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড ( বিএম) কলেজের ৭ ম শ্রেনীর অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী মিম আক্তার, গারুড়িয়া ইউনিয়নের পশ্চিম বালিগ্রাম স্বতন্ত্র ইবতেদীয়া মাদ্রাসার ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী হয়ে বাকেরগঞ্জ সরকারি বালিকা বিদ্যালয় উপ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছেন ( যাহার রোল নং ১৩৬৬১৬),
    এবং কলসকাঠী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ৭ ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী রুকাইয়া আক্তার ৯ নং কলসকাঠী ইউনিয়নের গুড়িয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে কলসকাঠী ইউনিয়নের গুড়িয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী হয়ে ২০২৫ সালের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন (যাহার রোল নং ১৩৬৬০৯)
    এবং অন্য একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নুরনবী মল্লিক ৯ নং কলসকাঠী ইউনিয়নের গুড়িয়া গ্রামের খলিল মল্লিকের ছেলে (যাহার রোল নং ১৩৬৬১২) ও চাঁদনী আক্তার ৯ নং কলসকাঠী ইউনিয়নের গুড়িয়া গ্রামের রফিক শিকদার এর ছেলে।
    এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার আমিনুল ইসলাম জানান এক শিক্ষার্থী দুই প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছে, আপনাদের মাধ্যমে অবগত হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ স্যারের নির্দেশে কেন্দ্রে গিয়ে গুরিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার অংশ নেয়া ৫ জন শিক্ষার্থী মধ্যে ৪ জন অন্য তিনটি পরিক্ষায় উপস্থিত ছিলেন, শেষ পরীক্ষায়  ঐ প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থী ও উপস্থিত পাওয়া যায়নি।
    অপরদিকে গারুরিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম বালিগ্রাম স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা থেকে অংশগ্রহণ করা অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মিম আক্তার কে উপস্থিত পাওয়া গেছে।
    তিনি আরও বলেন,  অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে এবং  দুই  প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ডেকেছি, বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন বিষয়টি শুনেছি তদন্ত করে শিক্ষার্থীর ফলাফল স্থগিত করা হবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    রাজাপুর-কাঠালিয়ায় ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর ব্যাপক গণসংযোগ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি, মেহেদী হাসান : রাজাপুর-কাঠালিয়ায় ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর ব্যাপক গণসংযোগের মাধ্যমে ভোটারদের মাঝে তাঁর জনপ্রিয়তা ‍বাড়ছে। অনেকেই অভিব্যক্তি...