More

    ​ভোটারদের ‘জারজ সন্তান’ আখ্যা দিয়ে তোপের মুখে এমপি জামাল: জেলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা

    অবশ্যই পরুন

    ​ ​ঝালকাঠি-০১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামালের একটি বিতর্কিত বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর জেলাজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ওই বক্তব্যে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভোটারদের ‘জারজ সন্তান’ বলে সম্বোধন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলা জামায়াতে ইসলামী।

    ​জানা যায়, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) সন্ধ্যায় রাজাপুরের উত্তমপুর বাজারে এক জনসভায় বক্তব্যকালে রফিকুল ইসলাম জামাল জামায়াতে ইসলামীর ভোটারদের উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর ওই মন্তব্য করেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    ​সোমবার বিকেলে জেলা জামায়াতের প্রচার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নাজমুল হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘটনার আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো হয়। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ ফরিদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ​যৌথ বিবৃতিতে জেলা আমীর অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান এবং সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মো. ফরিদুল হক বলেন:
    ​”বাংলাদেশের সংবিধান প্রতিটি নাগরিককে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের নিশ্চয়তা দিয়েছে। পছন্দের দলকে ভোট দেওয়া নাগরিকের ব্যক্তিগত অধিকার। কাউকে ভোট দেওয়ার কারণে তার বংশপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা চরম ধৃষ্টতা এবং সংবিধান ও গণতান্ত্রিক অধিকার পরিপন্থী।”

    ​বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, নির্বাচনের পর ওই আসনের বিভিন্ন এলাকায় ভোটাররা শারীরিক ও মৌখিক হুমকির শিকার হয়ে বসতবাড়ি ত্যাগ করছেন। জামায়াত নেতৃবৃন্দ এই আচরণকে ‘ফ্যাসিবাদের নতুন সংস্করণ’ এবং ‘রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তারা সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যকে অনতিবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।

    ​বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠি-০১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল অভিযোগটি অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটি তার নয়। প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তাকে হেয় করতে সম্ভবত এআই (আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্ট) দিয়ে ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।
    ​তবে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে এ ধরনের শব্দচয়ন সমাজে বিভাজন ও ঘৃণা তৈরি করে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Fra 24 ore dalla avanti cambio di minuscolo 20� riceverete il premio deposito al 100%

    Faccenda specialmente conoscere le tipologie presenti nei casino online in premio ossequio e promozioni ricorrenti, come sono in qualche...