More

    জাকির শেখ হত্যা: একের পর এক আসামি গ্রেপ্তার, সীমান্ত থেকে ধরা পড়ল আরও এক আসামি

    অবশ্যই পরুন

    সুজন হোসেন রিফাত মাদারীপুর প্রতিনিধি :  মাদারীপুরের রাজৈরের আলোচিত ফল ব্যবসায়ী জাকির শেখ হত্যা মামলায় একের পর এক আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় মামলাটি নতুন মোড় নিয়েছে। র‍্যাব ও পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে ইতোমধ্যে একাধিক এজাহারনামীয় আসামি ধরা পড়ার পর এবার সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মামলার ৩ নম্বর আসামি আল আমিনকে। পুলিশ ও র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ মার্চ সকালে রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সালিশের নামে ডেকে নিয়ে ফল ব্যবসায়ী জাকির শেখকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

    এ ঘটনায় একই দিন রাজৈর থানায় মামলা দায়ের করা হলে ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়। মামলার পরপরই র‍্যাব-৮ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালায়। বুধবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গাজীপুরের সালনা বাজার এলাকা থেকে এজাহারনামীয় ৪ নম্বর আসামি শাহাদাৎ খান (৫১)কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে রাজৈর থানায় হস্তান্তর করা হলে ২৬ মার্চ আদালতের মাধ্যমে মাদারীপুর জেল হাজতে পাঠানো হয়।

    একই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার দয়াহাটা বাজার এলাকায় যৌথ অভিযানে মামলার ১ নম্বর আসামি ইলিয়াস খান (৪৫), ৯ নম্বর আসামি পলাশ মোল্লা (২৩) এবং ১২ নম্বর আসামি সোনিয়া বেগম (৩৮)কে গ্রেপ্তার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আত্মগোপনে থাকা মামলার আরও এক গুরুত্বপূর্ণ আসামি আল আমিনকে ঝিনাইদহ সীমান্ত এলাকা থেকে রবিবার বিকেলে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    সোমবার (৩০ মার্চ) তাকে রাজৈর থানায় আনা হয়েছে এবং একই দিন আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে, গতকাল রবিবার ১ নম্বর আসামি ইলিয়াস খানকে এক দিনের রিমান্ডে এনে তার নিজ বাড়ি থেকে জাকির হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার তাকে জেল হাজতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    রাজৈর থানার তদন্ত কর্মকর্তা কুতুব উদ্দিন আহমেদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জাকির শেখ হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, জাকির শেখ রাজৈর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ফলের ব্যাবসা করতেন।

    জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষের সময় তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি থামানোর চেষ্টা করলে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং অভিযুক্তদের কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Be involved in some lighter moments challenges and you can objectives in return for advantages

    If this is a gaming webpages for your https://hrvatska-lutrija-hu.com/ requirements, strike the on the-page banners and get been now....