বাকেরগঞ্জে বিনা অনুমতিতে ৮-১০ টি সরকারি গাছ বিনা অনুমতিতে কেটে নিল বিএনপি নেতার ভাই। গাছ কাটার খবর পেয়ে উপজেলা ফরেষ্টার মনিন্দ্র দাস বাকী গাছ কাটা বন্ধ করে দেন।
উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুম্মান মোল্লার বড় ভাই সোহাগ মোল্লা ৩ থেকে ৪ জন কর্মী দিয়ে সরকারি জমিতে লাগানো আকাশ মনি ও মেহগনি গাছগুলো কেটে বিক্রি করেছেন। গাছ কাটায় অভিযুক্ত সোহাগ মোল্লা নিজেকে পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুম্মান মোল্লার বড় ভাই পরিচয় দিয়ে বলেন, এই গাছগুলো তিনি রোপন করেছেন।
একটু পর তিনি আবার বলেন বিদ্যুতের লাইনের সমস্যার জন্য গাছগুলো কেটেছেন। পরবর্তীতে তিনি আবার জানান দোকান নির্মাণ করার জন্য কানকি ব্রীজের বাম পাশের সরকারি জমির গাছগুলো কেটেছেন। একেক সময় তিনি একেক উত্তর দেন। সরকারি জমির গাছ তিনি কার অনুমতি নিয়ে কেটেছেন প্রশ্ন করলে একটু পর সাংবাদিকদের সাথে তিনি দেখা করে উৎকোচ দেয়ার প্রস্তাব দিয়ে চলে যান।
সুত্র জানা গেছে, বিগত ৮-১০ বছর আগে বাকেরগঞ্জ টু মির্জাগঞ্জ মহাসড়কের কানকি ব্রিজ ও এলাকার পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে উপজেলা বন কর্মকর্তা সরকারি অর্থায়নে গাছগুলো রোপন করেছিলেন। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বিএনপির নেতা জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের ভাই সোহাগ মোল্লা অর্থ আত্মসাতের জন্য সরকারি এই গাছগুলো কাটছেন। ইতোমধ্যে ১০ টি গাছ অর্ধ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
তবে গাছগুলো কাটার কোন বৈধতা তার নেই। বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, বিনা অনুমতিতে সরকারি কোনও গাছ কাটার সুযোগ নেই। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
