More

    বিটিসিএল, টেলিটক ও টেশিসকে ঢেলে সাজানোর পরামর্শ

    অবশ্যই পরুন

    আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে থাকা বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল), টেলিটক এবং টেলিফোন শিল্প সংস্থাকে (টেশিস) লাভের মুখ দেখাতে বিভিন্ন পরিকল্পনা করছে সরকার। সবশেষ এ প্রতিষ্ঠানগুলোকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা আসে খোদ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের কাছ থেকে।

    শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমপিসিএ) সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে পরামর্শ দেয়া হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিটিসিএলের উন্নয়ন ও প্রতিযোগিতায় আনতে বর্তমান বিটিসিএল ভেঙ্গে আলাদা আলাদা প্রতিষ্ঠান করে দিতে পারে সরকার। সেবার মান বাড়িয়ে বাজারে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করতে ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন), ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি), ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ (আইসিএক্স), ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে (আইজিডাব্লিও), পাবলিক সুইচড টেলিফোন নেটওয়ার্ক (পিএসটিএন)-কে আলাদা আলাদাভাবে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়ে আলাদা ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দিয়ে দিতে পারে সরকার। এতে সরকারের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে, এমনটাই আশা করা যাচ্ছে।

    এদিকে টেলিটক গত ২০ বছরে লোকসান গুনেছে ১ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা। তরঙ্গ ও লাইসেন্স ফি বাবদ প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে ১ হাজার ৮৪৮ কোটি ৬৩ লাখ টাকা পায় বিটিআরসি। এছাড়া ২০২২-২৩ অর্থবছরে টেলিটকের মোট ব্যয় ছিল ৭৪৯ কোটি টাকা এবং তারা লোকসান গুনেছে ২৪৭ কোটি টাকা।

    তাই টেলিটক এর পরিচালনা বোর্ডও ঢেলে সাজানোর পরামর্শ দিয়েছে বিএমপিসিএ। সংগঠনটি জানায়, কোনো মন্ত্রণালয়ের সচিব কোনোভাবেই প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। যে কোনো প্রকল্প নেয়ার সময় অবশ্যই ফিজিবিলিটি স্টাডি করে সেই প্রকল্প লাভজনক কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে পরিচালনা বোর্ডকে।

    এছাড়া টেলিটকের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালককে সম্পূর্ণরুপে অযোগ্য হিসেবে মূল্যায়িত করা হয়েছে এই সুপারিশে। এছাড়া জিএম, ডিজিএমসহ ২০-২৫ জন ক্যাডারভিত্তিক বিটিসিএল থেকে আসা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরাসরি দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন বিএমপিসিএ সভাপতি।

    বিজ্ঞপ্তিতে টেশিসের সাইট তৈরির যন্ত্রপাতি, ফাইবার ইকুইপমেন্ট, ইন্টারনেটের জন্য ফাইবার, আধুনিক রাউটার, মোবাইল হ্যান্ডসেটের মত পণ্য উৎপাদন করার পরামর্শ দেন মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি আরও বলেন, কেবলমাত্র স্থাপনা রক্ষণাবেক্ষণ, টেকনিক্যাল, ও হিসাব রক্ষণাবেক্ষণে এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিযুক্ত থাকবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক থেকে শুরু করে জিএম, ডিজিএম এবং বাজার ও বিক্রয় ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে অভিজ্ঞ প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে পারে সরকার।

    প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতার জায়গা এবার নিশ্চিত করতে হবে এবং আগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আসা সব অভিযোগ তদন্তের জন্য নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। বিশেষ করে, ২০০৫ সাল থেকে শুরু করে বর্তমানে যারা দায়িত্বে নিয়োজিত, তাদের দায়িত্বে অবহেলার দায়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা বলেন বিএমপিসিএ সভাপতি।

    এছাড়া বিটিসিএল-এর পরিচালনা বোর্ডে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যম ব্যক্তি, বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি, এবং গ্রাহক প্রতিনিধিদের রাখার সুপারিশ করেছেন মহিউদ্দিন আহমেদ।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    L’importance les collegues en tenant celebres i� propos des salle de jeu un brin

    Du Stakers, notre societe est conscients avec l'avantage en compagnie de le niveau des https://pinupslots.org/fr/ logiciels assidus, puisqu'ils englobent...