More

    চরমোনাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার আমিরের খুঁটির জোর কোথায়?

    অবশ্যই পরুন

    নিজস্ব প্রতিবেদক : বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছেনা বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের। একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বার বার আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন তহশিলদার আমির হোসেন মল্লিক। তার সিন্ডিকেটে জিম্মি হয়ে পড়েছেন ইউনিয়নবাসী।

    অভিযোগ দিয়েও মিলছে না সুরাহা। এরআগেও ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে তহশিলদার আমির হোসেন মল্লিকের বিরুদ্ধে একাধিক পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলেও এখনো তিনি বহাল তবিয়তে রয়েছেন।বরিশাল হোটেল বুকিং এতো বিতর্কের পরেও তিনি বহাল তবিয়তে থাকায় তহশিলদার আমির হোসেন মল্লিকের খুঁটির জোর কোথায় এমন প্রশ্ন জনমনে?

    অনুসন্ধানে জানা যায়- চরমোনাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার আমির হোসেন মল্লিকের নিজস্ব একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। এই সিন্ডিকেটে রয়েছেন কম্পিউটার দোকানদার মোঃ সুমন ও ইমরান হোসেন। যারা ওই অফিসের মধ্যেই চেয়ার-টেবিল পেতে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করছেন।

    অন্যদিকে আঃ রহমান, আঃ রব, রফিক ফকির অফিসে আসা সেবাপ্রত্যাশীদের টার্গেট করে নানা কৌশলে ঘুষ বাণিজ্যের ব্যবস্থা করে দেন তহশিলদার আমির হোসেন মল্লিককে। বিনিময়ে তারা একটি পার্সেন্টিজ পেয়ে থাকেন। ওই অফিসে আসা সেবাপ্রত্যাশীরা প্রতিনিয়ত এই সিন্ডিকেটের পড়ছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা। কোন উপায়েই এই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারছেন না সেবাপ্রত্যাশীরা। এমনকি প্রতিবাদ করলেই হয়রানির শিকার হতে হয় তাদের।

    সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা যায়- তহশিলদার আমির হোসেন মল্লিক এক সেবাপ্রত্যাশীর কাছ থেকে মিউটেশন রিপোর্ট দেওয়ার নামে টাকা নিচ্ছেন। টাকা নিয়েই ফাইলের উপর একটি চিন্হ দিচ্ছেন।

    এবিষয়ে বরিশাল সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছিলেন ভুক্তভোগী সোহাগ মৃধা। সম্প্রতি রেজাউল, আবদুল হালিম ও মোঃ সুমন নামের সেবাপ্রত্যাশী লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

    বরিশাল হোটেল বুকিং এ বিষয়ে তহশিলদার আমির হোসেন মল্লিক বলেন- আমি একা কাজ সামলাতে পারিনা, তাই কম্পিউটারম্যান মোঃ সুমন ও ইমরান হোসেনকে অফিসে রেখেছি। তাদের প্রতিমাসে আমার বেতনের টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে থাকি। বিষয়টি এসিল্যান্ড স্যারও জানেন।

    সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজহারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জেনেছি, তাৎক্ষনিক ওই অফিস থেকে বাহিরের লোকজন বের করে দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয়কেও জানানো হয়েছে। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার আমির হোসেন মল্লিকের ঘুষ কেলেঙ্কারির প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।’

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Su medio adquiere tanto criptomonedas como metodos habituales como Paysafecard, con el pasar del tiempo depositos labios menores y mayores de una treintena�

    Oriente modo es especialmente encanto para jugadores cual requieren sustentar nuestro dominacion sobre sus gastos, pues unicamente se podra...