More

    গভীর রাতে বরিশাল মৎস্য অফিসে জাটকা নিয়ে বাগাড়ম্বর!

    অবশ্যই পরুন

    বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের কম্পাউন্ডে বৃহস্পতিবার রাতে জাটকা হরিলুট হয়। এ সময় শত শত মানুষ কার্যালয়ে ঢুকে জব্দ করা মাছ লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে চারজন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করলেও লুট রোধে ব্যর্থ হন। অভিযোগ আছে, মৎস্য কর্মকর্তারা বেশ কয়েক বক্স জাটকা সরিয়ে রেখে অল্প কিছু বিতরণ করতে যান, তখন হট্টগোল বাধে।

    এরপর সেখানে ঘণ্টাব্যাপি চরম বিশৃঙ্খলা চলে, যা মৎস্য কর্মকর্তা ও স্টাফরা গেট আটকে নীরব দর্শকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে প্রত্যক্ষ করছিলেন। বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, উদ্ধার করা মাছ দুস্থদের মাঝে বিতরণকালে কিছু জাটকা লুট হয়েছে, কিন্তু স্টাফরা মাছ সরিয়ে ফেলেছে এমনটা অভিযোগ অসত্য।

    বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে হঠাৎ মৎস্য অধিদপ্তরের মধ্যে হইচই শুরু হয়। কয়েকজন আনসার হুইসেল দিয়ে থামানোর চেষ্টা করলেও শত শত মানুষ মৎস্য অফিসে ঢুকে পড়েন। সরেজমিনে দেখা যায়, জাটকার কার্টুন নিয়ে কাড়াকাড়ি শুরু হয়। চলে নিজেদের মধ্যে মারামারি। অদূরে গ্যারেজের পাশে মৎস্য অফিসের কয়েকজন স্টাফ জাটকাভর্তি অন্তত তিনটি কার্টন ধরে রাখেন। একপর্যায়ে এক কার্টনভর্তি জাটকা লুট করে নিয়ে যায় উত্তেজিত জনতা।

    এ সময় ঘটনাস্থলে কিছু নারী ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঘটনাস্থলে থাকা একাধিক নারী জানান, তারা প্রতারক। সব মাছ নিজেরা নিয়ে অল্প কিছু অফিসের সামনে রেখে গেট খুলে দিয়েছে। এরপর শত শত সাধারণ মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। আমিন হাওলাদার নামের একজন বলেন, ‘মাছ ছিল ১০-১২ কার্টন। কিন্তু এক কার্টনের মাছ বণ্টন করতে গেট খুলে দিলে হরিলুট শুরু হয়। তাদের থামাতে আনসারেরা চেষ্টা করেও পারেনি। জাটকা নিতে আসা নগরের বদ্ধপাড়ার গৃহিণী নীহারিকা মণ্ডল বলেন, ‘একটা জাটকাও পাইনি। সব লুট হয়েছে। স্যারেরা পেছনে কার্টন ভর্তি করে রেখেছেন।’

    মহসীন মিয়া নামের শেরেবাংলা সড়কের যুবক বলেন, কয়েকটি মাদ্রাসার লোকজনকে বস্তা ভরে জাটকা দিয়েছে; কিন্তু গরিবেরা দাঁড়িয়ে থেকেও পায়নি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের কম্পাউন্ডে জাটকা হরিলুট হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের কম্পাউন্ডে জাটকা হরিলুট হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. কামরুল হাসানকে এ বিষয়ে জানতে কল দেওয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি। এ ব্যাপারে বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘আমি অভিযান করতে নিষেধ করেছিলাম, তারপরও করেছে।

    আমতলীতেও এভাবে মাছ লুট হয়েছিল। সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হাসানের নেতৃত্বে অফিসের সামনেই বাস থামিয়ে অভিযান চলে। এ সময় বেশ কিছু মাছ উদ্ধার করা হয়।’ তবে কী পরিমাণ মাছ উদ্ধার হয়েছে, তা জানাতে পারেননি তিনি। মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি আরও বলেন, কিছু মাছ লোকজন নিয়েছে। সেখানে চারজন আনসার ছিল। স্টাফরা মাছ সরাননি। যারা বলেছে, তারা গুজব ছড়িয়েছে। স্টাফদের জাটকা নেওয়ার সুযোগ নেই।’

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Platforma este cunoscuta la oferta sa specializata in pariorilor activi, iar ofertele disponibile intaresc aceasta pozi?ionare

    La mediul reglementat al cazinourilor telecomanda, un cont de comerciant Winbet complet Prezentat Nevoile acces deplin la oricare sau...