ঝালকাঠি প্রতিনিধি, মেহেদী হাসান : রাজাপুর-কাঠালিয়ায় ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর ব্যাপক গণসংযোগের মাধ্যমে ভোটারদের মাঝে তাঁর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। অনেকেই অভিব্যক্তি দিচ্ছেন যে, যদি তিনি বিজয়ী হন তাহলে ইসলামী শরীয়া আইন বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি বাস্তবতা পাবে। ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের এই নির্বাচনকে নিয়ে প্রচুর চাঞ্চল্য দেখা যাচ্ছে যেখানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন, কার্যত দিনভর উপজেলার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ন স্থানে প্রচারণা করে ভোটারদের কাছে সেই প্রতিশ্রুতি পৌঁছাচ্ছেন।
প্রার্থী ও তার দলের সমর্থকেরা দিনভর ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচারণার কর্মসূচিতে নিমগ্ন। বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া প্রচারণা কাঠালিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকাজুড়ে বিস্তৃত ছিল। তিনি কৈখালী বাজার থেকে তার প্রচারণা শুরু করেন এবং এরপর জোরাপুল বাজার, বান্ধাকাটা, ফকিরবাড়ী, কচুয়া ফেরিঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় সভা করেন। সেখানে ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করেন যা তাদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে উন্মাদনা বাড়িয়ে তুলেছে। এপর্যায়ে প্রার্থীর সাথে তাঁর দলের বহু নেতাকর্মীও উপস্থিত ছিলেন, যারা প্রতিটা কাজকে পরিপূর্ণতা দিতে নিরলস পরিশ্রম করেছেন। গণসংযোগের মধ্যে প্রার্থী কচুয়া ফেরিঘাটে গিয়ে ইসলামী আন্দোলনের একজন প্রয়াত কর্মীর কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন যা অনেককে স্পর্শ করেছিল।
শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদানের পাশাপাশি তিনি কর্মীর আত্মার মাগফিরাতের জন্য বিশেষ মোনাজাত করেন, যা উপস্থিত সকলের মধ্যে আবেগপূর্ণ মুহূর্ত সৃষ্টি করে। গণসংযোগ চলাকালীন প্রার্থী মিডিয়া প্রতিনিধিদের সাথে আলাপকালে তাঁর জয়ের বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং বলেন যে, সাধারণ মানুষের মধ্যে তারা ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। সমাজব্যবস্থার চলমান পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্পর্কে তার দৃষ্টি ও পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ইসলামী শরীয়া আইন প্রচলিত হলে সামাজিক অবক্ষয় ও হানাহানি অনেকাংশে কমবে। অকপটে তার বার্তা ছিল যে, ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হলে সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করবে এবং সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটারদের ভোট প্রদান নিশ্চিত হলে তাঁর বিজয়ের সম্ভাবনা বেশী। এছাড়া দলটির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বিশ্বাস করেন যে, যদি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়, তাহলে তাদের প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ী হবেন, কারণ সাধারণ মানুষ পরিবর্তন ও পীর সাহেব চরমোনাইয়ের হাতকে শক্তিশালী করতে ইচ্ছুক এবং তাঁরা সর্বদা হাতপাখা মার্কায় ভোট দিতে উন্মুখ।
