জামায়াতে ইসলামী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ব্যবহার করতে চেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সাহেব মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
চরমোনাই পীর বলেন,
‘শরিয়া বাস্তবায়নের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার না থাকায় আমরা কোনো জোটে যাইনি। পরিবর্তনের জন্য ঝুঁকি নিয়ে আমরা প্রতিদ্বন্ধিতা করছি। তবে আমরা একা নই। আমাদের সঙ্গে আল্লাহ আছে। দেশপ্রেমিক মানুষ আছে।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় এলে রাষ্ট্র পরিচালনায় দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকবে না দাবি করে তিনি বলেন,
‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে দেশে দুর্নীতির কোনো স্থান থাকবে না। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সব খাতে উন্নয়ন থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না।’
দেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন,
‘স্বাধীনতার ৫৪ বছর দেশ শাসন জনগণ প্রত্যক্ষ করেছে। তাদের কাছে উন্নয়নের নতুন কোনো পথ নেই। নতুন করে উন্নয়নের ফুলঝুরি দেখিয়ে মানুষকে আর বিভ্রান্ত করা যাবে না।’
তিনি আরও বলেন,
‘ভালো নীতি, ভালো নেতা ও ভালো আদর্শ থাকলে আদর্শবান নেতৃত্ব খলিফা ওমর (রা.)-এর মতো শাসন কায়েম করতে পারে। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার—এই তিনটি বাস্তবায়নের প্রকৃত নামই হলো ইসলাম।’
চলমান রাজনৈতিক জোটগুলোর সমালোচনা করে চরমোনাই পীর দাবি করেন,
‘বর্তমানে যারা বিএনপি জোট বা জামায়াত জোট থেকে নির্বাচন করছে, তারা কেউ ইসলামকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় নিতে চায় না। একমাত্র ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশই ইসলামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বাস্তবায়ন করতে চায়।’
তিনি বলেন,
‘অনেকে এখনও মাঠে নামেননি। মনে রাখতে হবে, প্রার্থী বড় কথা নয়, মার্কা বড়। যারা আমাদের নিয়ে তুচ্চতাচ্ছল্য করছে, তাদের ভোটের মাধ্যমেই জবাব দিতে হবে।’
