More

    রমজানে দাম বাড়বে, এটিই ‘নিয়ম’, নতুন নয় বলছেন ব্যবসায়ীরা

    অবশ্যই পরুন

    রমজান মাস শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি)। এতেই মাছ-মাংস-সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) পুরান ঢাকার কয়েকটি কাঁচা বাজার ঘুরে দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।

    পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজারের কাঁচা বাজারে দেখা গেছে, লেবুর হালি ১০০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৬০ টাকা, ধনে পাতা ৮০ টাকা, বেগুন ১০০ টাকা, শসা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা, আলু ২৫, টমেটো ৬০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও কাঁচা পেঁপে ৪০ টাকা, সিম ৬০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা, ফুলকপি ৫০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। আর আদা বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকা কেজিতে।

    কাঁচা বাজার ও ফুটপাতে লেবুর দামে ভিন্নতা দেখা গেছে। কাঁচা বাজারে যেই লেবুর হালি ১০০ টাকা, ফুটপাতে তা ৪০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। ঢাকার সিএমএম কোর্ট সংলগ্ন ফুটপাতে লেবু ৪০ টাকা হালি বিক্রি করছেন এক নারী। তিনি বলেন, কাওরান বাজার থেকে লেবু কিনে আনি। মাঝে-মধ্যে শ্যামবাজারেও যাই। লাভ করি কম।

    মুরগি

    নারিন্দা কাঁচা বাজারের সবজি বিক্রেতা সালাম জানান, কয়েকটি সবজি ছাড়া তেমন কিছুর দাম বাড়েনি। তবে আশা করি যেগুলোর দাম বেড়েছে সেগুলোও কমে যাবে।

    রায়সাহেব বাজারে দেখা গেছে, কক মুরগি ৩৪০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৮০, ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

    মুরগি বিক্রেতা খলিল বলেন, রোজার মাসে মুরগির দাম বেড়ে যায়। যে কক মুরগি ২৮০ টাকা করে বিক্রি করতাম তা এখন ৩৪০-৩৮০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। আমাদের বেশি টাকায় কিনতে হয়, এ জন্য বেশি দামে বিক্রি করি।

    রায়সাহেব বাজারে মুরগি কিনতে আসা এক শিক্ষার্থী জানান, মুরগির দাম বৃদ্ধি হওয়ায় হিমশিম খেয়ে যাচ্ছি। মেসে থেকে পড়াশোনা করি। হিসাব করে চলতে হয়। এ জন্য দাম বেড়ে গেলে সমস্যায় পড়ি।

    রায়সাহেব বাজারে গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। রায় সাহেব বাজারের খাসির মাংস বিক্রেতা জানান, দাম নিয়ন্ত্রণেই আছে। রমজানের আগেও ১ হাজার ২০০ করে বিক্রি করতাম। তবে বিভিন্ন বাজারে খাসির মাংস ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৩০০ করেও বিক্রি করতে দেখা গেছে।

    একই বাজারের গরুর মাংস বিক্রেতা জানান, রমজানের আগেও গরুর মাংস ৮৫০ করে বিক্রি করছি। এখন ৫০ টাকা কমে ৮০০ টাকায় দিতে পারছি। আমরা চাই কমেই বিক্রি করতে। কিন্তু মাঝেমধ্যে বিভিন্ন কারণে দাম বেড়ে গেলে কিছু করার থাকে না।

    মাছ

    কয়েকটি মাছের বাজারে দেখা গেছে, ছোট ইলিশ ৬৫০, মাঝারি ৮৫০ এবং বড় ইলিশ ১ হাজার ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ২২০ টাকা, ছোট রুই ২৮০ টাকা, বড় রুই ৩৫০ টাকা, ছোট পাঙাশ ২০০ টাকা, বড়টা ২৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

    তবে দাম কমেছে ডিমের। ফার্মের লাল ডিমের হালি ৪০, সাদাটা ৩৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে; যা অন্য সময় ৪৫ থেকে ৫০ টাকা ছিল। রমজানে প্রতি বছরই ডিমের দাম কম থাকে বলেন জানান এই ডিম বিক্রেতা।

    ডিম কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, প্রায়ই রায়সাহেব বাজার থেকে ডিম কিনি। তবে আজকে দেখছি দাম কম। কয়েক দিন আগেও একই ডিম হালিতে ১০ টাকা বেশি দিয়ে কিনছি। দাম কম থাকলে ভালো লাগে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Be involved in some lighter moments challenges and you can objectives in return for advantages

    If this is a gaming webpages for your https://hrvatska-lutrija-hu.com/ requirements, strike the on the-page banners and get been now....