More

    বাবা বুড়িগঙ্গায় নিখোঁজ, স্ত্রী হাসপাতালে, নিথর দেহে বাড়িতে ফিরলেন সোহেল

    অবশ্যই পরুন

    ঢাকার সদরঘাটে দুই লঞ্চের চাপায় নিহত যুবক সোহেল ফকিরের মরদেহ বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জের চানপুরা ইউনিয়নের চরখাককাটা গ্রামে পৌঁছেছে। তবে তাঁর সঙ্গে থাকা বাবা মিরাজ ফকির এখনো বুড়িগঙ্গায় নিখোঁজ রয়েছেন। আর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আহত হয়ে ভর্তি আছেন ঢাকার হাসপাতালে। ঢাকার সদরঘাটে দুই লঞ্চের চাপায় নিহত সোহেল ফকিরের মরদেহ আজ বৃহস্পতিবার মেহেন্দীগঞ্জের চরখাককাটা গ্রামে পৌঁছায়।

    ঢাকার সদরঘাটে দুই লঞ্চের চাপায় নিহত সোহেল ফকিরের মরদেহ আজ বৃহস্পতিবার মেহেন্দীগঞ্জের চরখাককাটা গ্রামে পৌঁছায়।আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জোহরের নামাজের পর জানাজা শেষে সোহেলের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপনের জন্য বাড়িতে ফেরার পথে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গ্রামবাসী শোকে স্তব্ধ।

    গ্রামের বাসিন্দাদের ঈদের আনন্দ মাটি হয়ে গেছে অনেকে জানান। গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকার সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় সোহেল নিহত হন। এখনো বুড়িগঙ্গায় নিখোঁজ তাঁর বাবা মিরাজ ফকির। আর সঙ্গে থাকা অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রেশমা আক্তার রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় আছেন। এ অবস্থায় আজ সোহেলের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছায়।

    স্বজনদের আহাজারিতে স্তব্ধ হয়ে গেছে গোটা গ্রাম। জানা গেছে, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর গতকাল রাত থেকেই চরখাককাটা গ্রামের মৃধাবাড়িতে গ্রামবাসীর ভিড় ছিল। মরদেহ নিয়ে পৌঁছানোর পর মা, বোনসহ স্বজনদের আর্তচিৎকারে সেখানে হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখা দেয়। জোহরের নামাজের পর গ্রামের নুর মোহম্মদ মৃধাবাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা ও পরে পারিবারিক গোরস্থানে সোহেলের দাফন সম্পন্ন হয়।

    নিহত সোহেলের চাচা ফারুক ফকির জানান, তাঁর ভাই মিরাজ ফকির ২০ বছর আগে ঢাকায় যান। সাভারের হেমায়েতপুরে একটি ট্যানারিতে শ্রমিকের কাজ করতেন। প্রায় পাঁচ বছর আগে একমাত্র ছেলে সোহেলকে নিয়ে যান। সোহেলও বাবার পেশায় যুক্ত হন। বছর দুয়েক আগে সোহেলকে বিয়ে করানো হয়। স্ত্রী ও বাবাকে নিয়ে সাভারে ভাড়া বাসায় থাকতেন সোহেল। গতকাল ঈদ বোনাস পেয়ে তাঁরা বাড়িতে রওনা হয়েছিলেন। ফারুক ফকির জানান, সোহেলের মা তিনটি শিশু কন্যাসন্তান নিয়ে গ্রামের বাড়িতে থাকেন। মিরাজ ও সোহেল ছিলেন পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।

    তাঁদের অনুপস্থিতি মা ও তিন বোনের দেখার কেউ রইল না। পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ও নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফারুক ফকির। প্রসঙ্গত, মিরাজ ফকির তাঁর ছেলে সোহেল ও পুত্রবধূ মেহেন্দীগঞ্জ যাওয়ার জন্য গতকাল বিকেলে একটি ট্রলারে সদরঘাটে পৌঁছান। ট্রলার থেকে তাঁরা ‘আসা-যাওয়া’ নামের একটি লঞ্চে উঠছিলেন।

    এ সময়ে জাকির সম্রাট-৩ নামের আরেকটি লঞ্চ চাপা দিলে সোহেল নিহত হন। তাঁর বাবা বুড়িগঙ্গায় পড়ে ডুবে যান। আর সোহেলের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Be involved in some lighter moments challenges and you can objectives in return for advantages

    If this is a gaming webpages for your https://hrvatska-lutrija-hu.com/ requirements, strike the on the-page banners and get been now....