More

    পটুয়াখালী মদ খেয়ে বার ভাঙচুর, বহিষ্কৃত তিন নেতা পেলেন যুবদলের পদ

    অবশ্যই পরুন

    পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণা ঘিরে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় বার ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত ও বহিষ্কৃত তিন নেতাকে পদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এর আগে গত ২৯ এপ্রিল যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি এবং মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়াও বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামীকে সহসভাপতি হাসান হাওলাদারকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সোহেল মিয়াজীকে সদস্য করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলের মাধ্যমে একটি আংশিক (সুপার ফাইভ) কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যা দীর্ঘ প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করে। জানা গেছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের তিন নেতা— ইউসুফ ঘরামি, সোহেল মিয়াজিকে বহিষ্কার করে পটুয়াখালী জেলা যুবদল। জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. মো. আব্দুল্লাহ আল-নোমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    পরে একই অভিযোগে আরও এক নেতা, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হাসানকেও বহিষ্কার করা হয়। জানা গেছে, ২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল হ্যান্ডি কড়াই (বার) ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামি বলেন, কেন বহিষ্কার করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই।

    আমরা কোনো অপরাধ করিনি। অন্যদিকে বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক এবং রাজনৈতিক চক্রান্ত। এদিকে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর দাবি করেছেন, নতুন কমিটিতে কোনো বহিষ্কৃত নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বরং কমিটি ত্যাগ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হয়েছে। তবে সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন বলেন, কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর বহিষ্কারাদেশ কার্যত অকার্যকর হয়ে যায়।

    এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের (এমপি) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Dlaczego rejestracja w Vox Casino się zacina: typowe opóźnienia i rozwiązania

    Spis treściNajczęstsze błędy podczas wypełniania formularza rejestracyjnegoWeryfikacja konta i dokumentów (proces KYC)Problemy techniczne po stronie kasyna i graczaBonus powitalny...