More

    সরকারি চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, আটক প্রতারক

    অবশ্যই পরুন

    স্টাফ রিপোর্টার : পটুয়াখালীর গলাচিপায় সরকারি চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে নেছার আহম্মেদ কুদ্দুস (৪৮) নামে এক প্রবাসী প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। ২১ আগস্ট, বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌর শহরের হাইস্কুল রোডের হোটেল আল মামুন এর ৩০৪ নং কক্ষ থেকে সেনাবাহিনীর একটি দল তাকে আটক করে গলাচিপা পুলিশে সোপর্দ করে।

    আটককৃত নেছার উদ্দিন বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এবং এক বছর আগে বাংলাদেশ আসেন এবং বরিশাল শহরের রুপাতলী এলাকায় বসবাস করে আসছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর খালা মাহমুদা বেগম (৪৫) বাদী হয়ে গলাচিপা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

    মামলা সূত্রে জানা গেছে, নেছার আহম্মেদ কুদ্দুস গলাচিপা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাগরদী এলাকার বাসিন্দা মাহমুদা বেগমের (৪৫) ভাগনি সাথী আক্তারকে (২৩) বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার কথা বলে সাত লাখ টাকা দাবি করেন। প্রথমে গত ১৪ মে চাকরির তাকে আশ্বাস দিয়ে পরীক্ষার সার্টিফিকেটসহ এক লাখ টাকা নেয়।

    পরবর্তীতে গত ২৯ জুন বাদীর বাসায় গিয়ে দুই লাখ টাকা নেয়। এরপর কুদ্দুস আরও চার লাখ টাকা দাবি করলে বাদী চাকরি পাওয়ার পর বাকি টাকা দেওয়ার কথা জানায়। কিন্তু সে টাকা দিতে রাজি না হয়ে মাহমুদা বেগম তাদের দেয়া ৩ লাখ টাকা ফেরত চাইলে তিনি টাকার কথা অস্বীকার করে উল্টো গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

    সর্বশেষ গত ২০ আগস্ট দুপুরে কুদ্দুস পূর্ণরায় যোগাযোগ করলে ভুক্তভোগী টাকা দিতে রাজি হয় এবং তাকে টাকা নিতে গলাচিপা আসতে বলেন। টাকা নেয়ার জন্য কুদ্দুস ২০ আগস্ট গলাচিপা আসে এবং হোটেল আল মামুন এ রুম ভাড়া নিয়ে অবস্থান করেন। পরের দিন ২১ আগস্ট হোটেল আল মামুন এ ভুক্তভোগীকে টাকা নিয়ে আসতে বলেন। এ সময় ভুক্তভোগী কৌশলে সেনাবাহিনীকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে গলাচিপা থানা পুলিশকে সোপর্দ করেন।

    মামলার বাদী মাহমুদা বেগম বলেন, এপ্রিল মাসে পটুয়াখালী আদালত চত্বরে চায়ের দোকানে কুদ্দুসের সঙ্গে আমাদের পরিচয় হয়। তিনি চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিন লাখ টাকা নেয়। পরে আরও চার লাখ টাকা দাবি করেন। তার কথাবার্তায় সন্দেহ হলে আমি টাকা ফেরত চাই।

    কিন্তু সে আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। আমরা সরল বিশ্বাসে টাকা দিয়েছিলাম, কিন্তু বুঝতে পারিনি তিনি প্রতারক। গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ আশাদুর রহমান বলেন, সরকারি চাকরির নামে প্রতারণার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। আটক আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে ।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Cerchi indivisible bonus senza fitto a analizzare volte mucchio online senza rischiare i tuoi soldi?

    Questi gratifica sono generalmente disponibili celibe verso rso nuovi utenti che completano l'iscrizione e l'apertura del competenza incontro. Per...