More

    আগৈলঝাড়ায় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন উপজেলা পর্যায় সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

    অবশ্যই পরুন

    আগৈলঝাড়া প্রতিনিধিঃ বরিশালের আগৈলঝাড়ায় জাতীয় টাইফয়েড ভ্যাকসিনেশন টিকাদান ক্যাম্পেইন উপজেলা পর্যায়ও সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রশিক্ষণ হলরুমে অনুষ্ঠিত টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন বিষয়ক সমন্বয় সভা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোর্শেদ সজিবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিখন বণিক।

    এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুশংকর মল্লিক, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুশান্ত বালা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আমজাদ হোসেন, ডা. শিশির কুমার গাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা দৌলাতুন নেছা নাজমা, স্যানেটারি ইন্সপেক্টর সুকলাল সিকদার, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) মো. শাহাদ উদ্দিনসহ নার্স, সাংবাদিক ও উপজেলার অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তা।

    কর্মচারীবৃন্দ। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোর্শেদ সজিব বলেন, দেশে প্রথমবারের মতো আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকা দেবে সরকার। টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধে ৯ মাস হতে ১৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে বিনামূল্যে এক ডোজ টিকা প্রদান করা হবে। বিনামূল্যে এ টিকা নেয়ার জন্য অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর ভ্যাকসিন কার্ড ডাউনলোড করতে হবে।

    জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে নিবন্ধন করলে সরাসরি ভ্যাকসিন কার্ড পাওয়া যাবে। ১২ অক্টোবর থেকে প্রথম দশ দিন উপজেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হবে এবং স্কুল ক্যাম্পেইন শেষ হলে পরবর্তী ৮দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’সহ উপজেলার সকল টিকাদান কেন্দ্রে ইপিআই সেন্টারে স্কুলে না যাওয়া শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। এবার উপজেলার ৪১ হাজার ৪ শত ৪১ জন শিশুকে বিনামূল্যে এই ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে।

    এসময় তিনি টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিন ব্যবহারের গুরুত্ব ও এর উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা এবং টাইফয়েড ভ্যাকসিন কাদের জন্য প্রযোজ্য, কিভাবে এটি দেওয়া হয় এ সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিখন বনিক বলেন, টাইফয়েড ভ্যাকসিন রুটিন টিকাদান কর্মসূচিতে ব্যবহারে অগ্রাধিকার পাচ্ছে, কারণ এটি উন্নত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করে এবং কম বয়সী শিশুদের জন্য উপযোগী এবং দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা দেয়। তবে বড় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এই ভ্যাকসিনে। এটি একটি নিরাপদ ভ্যাকসিন।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Avantages, primes et salaire

    Cependant, les montants peuvent légèrement varier selon la région. Oui, cette offre est accessible dans plusieurs pays d’Afrique francophone...