More

    হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ, স্ত্রীসহ আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    অবশ্যই পরুন

    পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী মিসেস শামীমা আক্তারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পিরোজপুর সমন্বিত জেলা দুর্নীতি দমন কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নম্বর ১৮ ও ১৯। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম।

    মামলার এজাহারে জানা গেছে, আসামি ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভান্ডারিয়া উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজুল ইসলাম (৪৮) তার মালিকানাধীন ইফতি ইটিসিএল (প্রা.) লি., ইফতি এন্টারপ্রাইজ এবং সাউথ বাংলা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর নামে জমি, বাড়ি, ফ্লাট ও দোকান ক্রয় বাবদ ৩৬ কোটি ৭৩ লাখ ৪৮ হাজার ৬৪৭ টাকা স্থাবর এবং বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, মুলধন ও কোম্পানির শেয়ার বিনিয়োগ ও ৯টি গাড়ি ক্রয় বাবদ ৫০ কোটি ৬১ লাখ ৬৩৬ টাকা মুল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৮৭ কোটি ৩৪ লাখ ৪৯ হাজার ২৮৩ টাকা এবং পারিবারিক ব্যয় বাবদ ২৯ কোটি ৪৯ লাখ ৪৩ হাজার ১৭৬ টাকা মোট ১১৬ কোটি ৮৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৫৯ টাকার স্থাবর অস্থাবর সম্পদের হিসাব পায় দুদক।

    পক্ষান্তরে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস্য ১৭ কোটি ৭১ লাখ ০৫ হাজার ৪৪৯ টাকা। তার অর্জিত ও জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৯৯ কোটি ১২ লাখ ৮৭ হাজার ১০ টাকা মুল্যের সম্পদ আড়াল করে রাখায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এ ছাড়াও মিরাজুল ইসলাম ২৬৭৯ কোটি ৩৭ লাখ ১১ হাজার ৪০৪ টাকা সরকারী অর্থ আত্মসাত পুর্বক ৯টি ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় জমাপূর্বক অবৈধভাবে আয় করেছেন, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    অপরদিকে মিরাজুল ইসলামের স্ত্রী আসামি শামীমা আক্তার তার মালিকানাধীন মেসার্স শিমু এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে অর্জিত ২৪ কোটি ৪৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৫১ টাকা মুল্যের স্থাবর-অস্থাবর করে ভোগদখলে রেখে এবং এলজিইডির নিযুক্ত ঠিকাদার হিসাবে প্রকল্পের কাজ না করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎপুর্বক বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে অসদুদ্দেশ্যে স্থানান্তর ও হস্তান্তর করেছেন। যা দুর্নীতি দমন কমিশনের মানিলন্ডারিং আইনের ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের কারণে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    এ ছাড়াও স্ত্রী শামীমা আক্তার তার শিমু এন্টারপ্রাইজের নামে ব্রাক ব্যাংকের হিসাব হতে ১২২ কোটি ৩৯ লাখ ৯৯ হাজার ৭০৮ টাকা স্থানান্তর করে মানিলন্ডারিং আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে দুদক এই মামলা দায়ের করেছে।

    এ সকল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে এলজিইডি দপ্তর থেকে বিভিন্ন কাজের টেন্ডারে অংশগ্রহণ করে কার্যাদেশ গ্রহণপুর্বক কোনো কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অপরাধে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেছে। এই নিয়ে মোট ১০টি মামলা হয়েছে।’

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Dlaczego rejestracja w Vox Casino się zacina: typowe opóźnienia i rozwiązania

    Spis treściNajczęstsze błędy podczas wypełniania formularza rejestracyjnegoWeryfikacja konta i dokumentów (proces KYC)Problemy techniczne po stronie kasyna i graczaBonus powitalny...