More

    কাঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারদের চরম অবহেলায় কাঠালিয়া উপজেলায় সাপের কামড়ে আরো একজনের মৃত্যু

    অবশ্যই পরুন

    আজকে তালতলা বাজারের মুদি দোকানি সেলিম আকন নিজ দোকানে অবস্থান কালে রাত ৭ টায় সাপ দংশন করে। তার আপন চাচাতো ভাই জাকির যিনি একই বাজারে মুদি দোকানি তার ভাষ্যমতে, সাপে কাটার সাথে সাথে ৭.১৫ মিনিটির ভিতরে আক্রান্তকে গামছা দিয়ে বেঁধে আমুয়ায় অবস্থিত উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে ডাক্তারগন পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন এটি বিষাক্ত সাপের কামড়।

    তারা কোনরূপ চিকিৎসা না দিয়ে রোগীকে রাত ৮ টার দিকে বরিশাল শেবাচিম’এ রোগীকে রেফার করেন। রোগী বরিশাল যাওয়ার পথে ডাক্তারগন আবার ফোন দিয়ে রোগীকে হাসপাতালে ডেকে এক ফাইল এন্টিভেনম দেন যেখানে রোগীকে ১০ ডোজ নিতে হয়। চিকিৎসকরা জানান প্রয়োজনীয় এন্টিভেনম লক করা এবং তাদের কাছে চাবি নেই। এই কথা বলে ৯.১৫ তে রোগীকে আবারো বরিশাল পাঠান। রোগী ১১.২৫ মিনিটে বরিশাল পৌছে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে।

    কয়েক সপ্তাহ আগে সাপের কামড়ে একই উপজেলার হেতালবুনিয়া গ্রামে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রী মারা যান। তাকেও তৎক্ষনাৎ একই হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল। তিনিও চিকিৎসার অভাবে মারা যান।

    উপরোক্ত উভয় ক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা ও তরিৎভাবে পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা না করাকে উভয়ের মৃত্যুর কারন হিসেবে মনে করি৷
    বর্তমান সময়ে সারা দেশে সাপ নিয়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এরই মধ্যে একই উপজেলায় কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে দুইজন ব্যক্তির মৃত্যু জনমনে আরো ভীতির সঞ্চার করবে বলে মনে করি৷

    উদাসীন এই হাসপাতাল কতৃপক্ষের বোধোদয় হবে কবে? সাপের কামড়ে মানুষ মারা যেতেই পারে, কিন্তু প্রতিটি প্রাণ অনেক মূল্যবান। ডাক্তারদের অবহেলা ও উদাসীনতায় আর কোন প্রাণ ঝড়ে না যাক।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Immerion: A New Standard in Immersive Online Casino Gaming

    Immerion: A New Standard in Immersive Online Casino Gaming When it comes to blending cutting-edge technology with the thrill of...